পুনরায় পারস্পরিক গোয়েন্দা ও সামরিক সহযোগিতা শুরু করতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইন্দোনেশিয়ার সাথে বিরোধ অবসানের জন্য একটি সমঝোতা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের ওপর অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দাগিরির খবর ফাঁস হওয়ার পর দু’টি দেশের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টি হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ জানান, একটি চুক্তির ব্যাপারে সমঝোতা হয়েছে। শীঘ্রই তা স্বাক্ষরিত হবে। চুক্তির পর দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান পুনরায় শুরু হবে।
এডওয়ার্ড স্লোডেনের ফাঁস করা তথ্যের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দাগিরির কথা প্রকাশিত হয়ে যায়। তত্ক্ষণাত্ ইন্দোনেশিয়া তার রাষ্ট্রদূতকে অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দারা ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট, ফার্স্টলেডি, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র মন্ত্রীদের ফোনে আড়ি পেতেছিল। গোয়েন্দাগিরির জন্য জাকার্তায় অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসকে ব্যবহার করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ধোয়ানা। তিনি মানব পাচার রোধে সহযোগিতা, সামরিক সহযোগিতা ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করে দেন অস্ট্রেলিয়ার সাথে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, চুক্তিতে এক দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অপর দেশের শ্রদ্ধা প্রদর্শনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। আমরা আমাদের গোয়েন্দা শক্তিকে ইন্দোনেশিয়ার জন্য ক্ষতিকর কোন কাজে ব্যবহার করব না।
