প্রত্যাশা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না কানাডা অভিবাসীরা

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৪, ২১:০১
দেশে বড় বেতনের চাকরি এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিসর্জন দিয়ে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায় কানাডায় ইমিগ্র্যান্ট হয়ে এসেছেন অনেকেই। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী চাকরি না পেয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন অনেক অভিবাসী। আর এতে তাদের মধ্যে হতাশা এবং সেই সঙ্গে মানসিক চাপও বাড়ছে। বেঙ্গলি ইনফরমেশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস (বায়েস) আয়োজিত এক ওয়ার্কশপে এমন অভিমত প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা। সম্প্রতি টরেন্টোর ডেনফোর্থ এভিনিউস্থ এক্সেস পয়েন্টে এক জব সার্চ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৃহত্তর টরেন্টোর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ জন অংশগ্রহণ করেন। বায়েসের প্রেসিডেন্ট ও ক্যারিয়ার স্পেশালিস্ট ইমামউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ ওয়ার্কশপে প্রথমেই অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে তাদের প্রত্যাশা এবং নিজ নিজ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। চাকরি পেতে সঠিক তথ্যের অভাবই মূল সমস্যা বলে জানান অংশগ্রহণকারীগণ। একজন জানান, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি সহায়তার আশ্বাসে মাসের পর মাস আসা যাওয়া করলেও বাস্তবে তেমন কোনো সহায়তাই পাননি। যা তাকে ব্যাপকভাবে হতাশ করেছে। অপর এক বক্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে স্কিল্ড ক্যাটাগরিতে কানাডায় আসার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস পকেটের টাকা খরচ করে আর সারভাইভাল জব করে এখানে টিকে থাকার চেষ্টায় তাদের মাঝে শুধু হতাশাই বেড়েছে। অনুষ্ঠানে পছন্দনীয় চাকরি পেতে কী ধরনের কলা-কৌশল গ্রহণ করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে কানাডিয়ান এমপ্লয়ারের চাহিদার আলোকে জীবন বৃত্তান্ত ও কাভার লেটার প্রস্তুত, হিডেন জব মার্কেট অনুসন্ধান, নেটওয়ার্ক বাড়ানোসহ চাকরি পেতে বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। বায়েসের পরিচালক ও ইউনিভার্সিটি অব টরেন্টোর কনসালট্যান্ট সাদি খান, বায়েসের এমপ্লয়মেন্ট কাউন্সিলর সাবির সামি ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।