উপজেলার কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা কর্তনের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, মঙ্গলবার রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি বিতরণ চলছিল। এ সময় কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপবৃত্তি বিতরণ করতে আসা কর্মকর্তাদের আপ্যায়নের জন্য শিক্ষার্থী প্রতি শ্রেণীভেদে একশ থেকে ২শ টাকা হারে কেটে রাখেন। এ খবর জানাজানি হলে স্থানীয় অভিভাবকরা রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসে উপবৃত্তি বিতরণ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে গিয়ে আদায়কৃত টাকা ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দিয়ে পুনরায় উপবৃত্তি বিতরণ চালু হয়।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ায়েজ করণী’র মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. শরিফুন্নেসা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ২শ টাকা নয়, শিক্ষার্থী প্রতি ৫০ টাকা হারে নিয়েছিল। পরে শিক্ষকরা সে টাকা ফেরত দিয়েছেন।
