বিশ্বে পরিবর্তন আনতে তরুণদের ভূমিকাই আসল

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৪, ২২:৪৮
তালেবানের হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই বলেছে, বিশ্বে পরিবর্তন আনতে গেলে সবচে বড় ভূমিকা রাখতে হবে তরুণদের। সোমবার জাতিসংঘের সদর দফতরে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় সে একথা বলে। ১৭ বছর বয়সী এই কিশোরী আরো বলে, তার জন্মস্থান পাকিস্তানের সোয়াতে তালেবান জঙ্গিরা মেয়েদের স্কুলে যাবার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মালালা নিজে স্কুলে যাওয়া-আসা করত। একদিন তালেবান জঙ্গিরা তাকে গুলি করে। একারণে গোটা বিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তার প্রতিবাদের কারণেই সেখানকার মেয়েরা এখন নিশ্চিন্তে স্কুলে যেতে পারছে। শিক্ষার্থীদের মালালা আরো বলে, তোমরা যদি এখনই এগিয়ে আস তবে কয়েকদিন পরে দেখবে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে গেছে। বিশ্ব তোমাদের কথাই বেশি শুনতে পায়। তোমাদের উদ্দেশে আমার অনুরোধ, যেখানে সমস্যা মনে কর তা দূর করার জন্য আওয়াজ তোল। দেখবে একদিন সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। ‘সব তরুণ এক’-এই মন্ত্রে বিশ্বাস করে পরস্পরের হাতে হাত রেখে কাজ করতে অনুরোধ করে তাদের। কারণ তরুণদের মেধা ও শক্তি আছে। তাদের চেষ্টার অসাধ্য কিছু নেই। তার বক্তৃতার সময় জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন তার পাশে বসা ছিলেন। তিনিও মাঝে মাঝে ঘাড় ঝাঁকিয়ে মালালার কথার প্রতিধ্বনি করে তার সাথে একমত পোষণ করেন।