সারা শরীরে তার ছিদ্র। একটি কিংবা দুটি নয়, ৪৫৩টি ছিদ্র। শরীরে এত ছিদ্র করেও শান্ত থাকেননি তিনি। কপালে দুটি শিংও লাগিয়েছেন। তিনি বিশ্বের খ্যাতিমানদের কিংবা শীর্ষ সব ঘটনার রেকর্ডের বই গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে (২০১২) নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু তারপরও তিনি ছাড় পাননি দুবাই বিমানবন্দরে। বেরসিক বটে বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা!
নাম তার রুফ বুসলজ। কেবল শরীর ছিদ্রায়িত এবং শিংয়ের জন্যই তিনি খ্যাতির শীর্ষে। তবে তিনি একজন কম্পিউটার বিশেষজ্ঞও। তার শরীর ছিদ্রায়িত করার আড়ালে ঢাকা পড়েছে তার এই দক্ষতার কাজটি। দুবাইয়ের একটি হোটেলের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল শিংওয়ালা এই মানবের। জার্মানির এই নাগরিক দুবাই বিমানবন্দরে আসার পর তাকে ফেরত দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা বলছেন, তাকে নিয়ে আমরা ভীত। কারণ তিনি ‘কালো জাদু’ দেখাতে পারেন! বুসলজ জানিয়েছেন, তিনি ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে পারলেও কাস্টমস কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে পারেননি। ফেয়ারমাউন্ট হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আমরা চেষ্টা করেও তাকে হোটেলে আনতে পারিনি। বুসলজ জানিয়েছেন, তিনি আর কখনো দুবাই যাবেন না। তার ব্যাগগুলো এখনো দুবাই রয়ে গেছে। কষ্টই বটে বুসলজের। - বিবিসি
