২০০৮ সালে ক্লোজ-আপ ওয়ান প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীত জগতে পা রাখলেও পরবর্তীতে নিজের প্রতিভা দিয়েই নিজেকে এদেশের সংগীত জগতের একজন পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন। তরুণ প্রজন্মের এই প্রতিভাবান শিল্পী সম্পর্কে কিছু ব্যতিক্রমী ও আজানা তথ্য জানাচ্ছেন আহসান রনি
শেখ নীলিমা শশী
ডাকনাম :শশী
জন্মতারিখ ও স্থান :৩১ ডিসেম্বর, জামালপুর
পড়াশোনা :স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্য অনার্স করছি
অনুপ্রেরণা :প্রথমত আমার বাবা, দ্বিতীয়ত আমার মা
প্রথম স্টেজে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা :আমার বয়স তখন ৬-৭ বছর। আমি তখন জামালপুরের নবাঙ্কুর নামে এক গানের স্কুলে গান শিখতাম। ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলাম।
গায়িকা না হলে যা হতেন :আর্কিটেক্ট হতাম। গানের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি আর্কিটেক্ট নিয়ে পড়তে পারিনি। কিন্তু আর্কিটেক্ট হওয়া আমার স্বপ্ন ছিল।
আমার দেখা সেরা চলচ্চিত্র :থ্রি ইডিয়টস (হিন্দি); টাইটানিক, দ্য পিক অব ডেসটিনি (ইংরেজি); সালমান শাহের সিনেমাগুলো (বাংলা)।
বারবার শোনা গান :আমার নিজের গাওয়া ‘উত্তর মেলে না’।
যে বইটি অনেকবার পড়েও আবার পড়ার ইচ্ছা জাগে :সমরেশ ও হুমায়ূন আহমেদের যেকোনো বই।
ফাস্টফুডে খেতে গেলে প্রথমেই যে অর্ডার দেন :জুস। অন্যমেয়েদের মতো ফুচকা আমারও খুবই প্রিয়।
আড্ডার সময় বিষয়গুলো :গানের সাথে জড়িয়ে পড়ার কারণে আমার যত ফ্রেন্ড সবাই গানের জগতের। তাই আড্ডার সময়ও গান নিয়েই আলোচনা করা হয়।
স্মরণীয় স্মৃতি :২০০৮ সালের ‘ক্লোজ-আপ ওয়ান’ প্রতিযোগিতায় আমি সেরা ৭-এর মধ্যে ছিলাম। ওই সময় প্রথমবার ইয়েস কার্ড পাওয়া, সেরা দশে জায়গা পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা।
আপনার গোপন স্বপ্ন :আমার যদি কখনো সামর্থ্য হয় আমি একটি এতিমখানা ও একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
নিজের কাছে নিজের প্রিয় গুণ :আমি খুব ভালো রান্না করতে পারি। আরেকটি গুণ আমার আছে বলে মনে হয় সেটি হলো আমার মনমানিসকতা খুবই ভালো। আমার মনের মধ্যে কোনো কলুষতা নেই।
আমার বিয়ে :এ বছরের জানুয়ারিতে আমার বিয়ে হয়েছে। আমার হাজবেন্ডের নাম তানভীর মাসুদ। ও পেশায় একজন আর্কিটেক্ট। কয়েকদিন পরেই আমাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।
