বেপরোয়া বাঘার মাদক সিন্ডিকেট অভিযানে নেই প্রশাসন

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০১৪, ২১:৩৮
রাজশাহীর বাঘার পদ্মায় পানি বাড়ার পর বৃদ্দি পেয়েছে চোরাচালান। বিশেষ করে ফেন্সিডিল, হিরোইন, গাঁজা এখন উপজেলার সর্বত্র। তার পরেও অভিযান নেই সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড কিংবা পুলিশ কর্মকর্তাদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্য থাকার কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বাঘার মাদক সিন্ডিকেট। সরেজমিন সীমান্ত এলাকার লোকজন ও থানা পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের পূর্ব থেকে গত একমাসে মাদক উদ্ধারে বিশেষ কোন অভিযান সফল করতে পারেনি বাঘা থানা পুলিশ। অথচ এই একমাসে বাঘা এলাকার একাধিক ব্যক্তি ফেন্সিডিলের ব্যবসা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে রাজশাহী র্যাবসহ দেশের অন্যান্য থানায়। সূত্র মতে, উপজেলার কিছু চিহ্নত চোরাকারবারী নদীতে পানি বাড়ার পর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পদ্মা নদী দিয়ে ফেন্সিডিল, হেরোইন ও ইয়াবাসহ গাজা নিয়ে আসছে। মাদক স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে বাঘা সীমান্তের-আলাইপুর, কিশোরপুর, গোকুলপুর, মীরগঞ্জ, পাকুড়িয়া, পানিকমড়া, টিকটিকি পাড়া ও ভ্যাজালির মোড়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে এ উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক চোরাকারবারী রয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার মীরগঞ্জে রয়েছে ৩০ জন চোরাকারবারী। যারা দীর্ঘদিন থেকে ফেন্সিডিল ও হেরোইন ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। এদের মধ্যে চারঘাট-বাঘা ও লালপুরসহ বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে ১৮ জনের নামে। এর বাইরেও সীমান্ত এলাকার কিশোরপুর, আলাইপুর ও হরিরামপুরসহ অন্যান্য এলাকায় রয়েছে আরো শতাধিক চোরাকারবারী।