নাগরপুর উপজেলার ভারড়া, মোকনা, সলিমাবাদ, দপ্তিয়র ও সহবতপুর ইউনিয়নে ধলেশ্বরী ও যমুনায় কয়েক দিনের ভাঙ্গনে পাঁচশতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া রাস্তা-ঘাট, গাছ-পালা ও কয়েকশ’ একর ফসলের জমি বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনকবলিত পরিবারগুলো বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পানি বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
ভারড়া ইউনিয়নের আটাপাড়া, আগদিঘুলিয়া, পাঁচতারা, ধলাই গ্রামের ৩ শতাধিক, দপ্তিয়র ইউনিয়নের নিশ্চতপুর, বাগুটিয়া, ছিটকীবাড়ী গ্রামের ৫০টি, মোকনা ইউনিয়নের বেটুয়াজানী, গোবিন্দপুর, পংবাইজোড়া, আগদিগুলিয়া, মোকনা গ্রামের শতাধিক, সহবতপুর ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া, নন্দপাড়া গ্রামের ৫০টি ও সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকশামাইজাল ও তেবারিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ইউএনও আলমগীর হুছাইন ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছামাদ দুলাল ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। ইউএনও ও উপজেলা চেয়ারম্যান ক্ষতিগ্রস্তদের সকল ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বাসাইলে ৫০ পরিবার গৃহহারা
গত এক সপ্তাহে প্রবল বর্ষণ ও স্রোতে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর, নথখোলা, কাজিরাপাড়া, আদাজান, বিলপাড়া ও কাশিল গ্রামের প্রায় ৫০টি পরিবারের বাড়ি-ঘর ঝিনাই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শুধু কাশিল ইউনিয়নেরই ৩০টি পরিবারের বাড়ি-ঘর নদীগর্ভে চলে গেছে।
কাশিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলী আজগর জানান, বিদ্যালয়ের ২৮৪ শতাংশ জায়গার খেলার মাঠসহ প্রায় ২ তৃতীয়াংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
