গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৭২১ কোটি টাকারও বেশি। যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭ ভাগ বেশি। তবে গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় লেনদেন হচ্ছে কয়েকটি খাত ঘিরে। গতকালও ডিএসইর প্রায় ৬৬ ভাগ লেনদেন হয়েছে ৫টি খাত ঘিরে। ওষুধ খাতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ ভাগ। জ্বালানি খাতে লেনদেন হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের সাড়ে ১৪ ভাগ। আর ইঞ্জিনিয়ারিং খাত, বস্ত্র খাত ও বিবিধ খাতে লেনদেন হয়েছে ২৬৬ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের সাড়ে ৩৬ ভাগ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৩৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০৬ কোটি ৪ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টির, কমেছে ১৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির কমেছে ১২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
সিএসই সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানির বার্ষিক নিরীক্ষিত, প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিগুলো আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবে। এর আগে গত ৩০ জুন পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় শেষ হওয়া প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের সময় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জানা গেছে, বছরশেষে বীমা দাবি নিষ্পত্তির হিসাব মেলাতে অধিক সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় জীবন বীমা কোম্পানিগুলো সময়মতো আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে হিমশিম খেয়ে যায়।
এদিকে অস্বাভাবিকভাবে শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি রহিমা ফুড লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে রহিমা ফুডসের কাছে দর বাড়ার কারণ জানতে চায় ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষ। জবাবে দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত ৩ দিনে শেয়ারটির দর বেড়েছে সাড়ে ৪ টাকা।
