মাটির শিল্প কেন আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরবের বিষয়?
বাংলা
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১ ও ২ নং ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ :
মামা বললেন, হাঁড়ি কলসি ছাড়াও আমাদের দেশে এক সময় সুন্দর পোড়ামাটির ফলকের কাজ হতো। এর অন্য নাম টেরাকোটা। বাংলার অনেক পুরানো শিল্প এই টেরাকোটা। নকশা করা মাটির ফলক ইটের মতো পুড়িয়ে তৈরি করা হতো এই টেরাকোটা। শালবন বিহার, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ও দিনাজপুরের কান্তজির মন্দিরে এই টেরাকোটার কাজ রয়েছে। মাটির ফলকে ছবি এঁকে শুকিয়ে পোড়ানোর পর এগুলো এমন সুন্দর হয়ে ওঠে! ছোট ছোট ফলককে পাশাপাশি জোড়া দিয়ে বড় করা যায়। পোড়ামাটির এই ফলক বাংলার প্রাচীন মৃিশল্প। মামা বললেন, টেরাকোটা বা পোড়ামাটির এসব কাজ এ দেশে শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে।
১. নিচের যে কোন পাঁচটি শব্দের অর্থ লেখ : ১ x৫ = ৫
প্রাচীন, গর্ব, টেরাকোটা, নিদর্শন, ফলক, যত্ন, শিল্পকর্ম।
২.নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ :
(ক) টেরাকোটা কী? ২
(খ) মাটির শিল্প কেন আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরবের বিষয়? ৪
(গ) মৃিশল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তুমি মনে কর? ৪
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৩ ও ৪ নং ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ :
একদিন মা হাঁস এবং তার বাচ্চাগুলো হ্রদের ধারে যাচ্ছিল। হাঁস ছানাগুলো ডাকতে ডাকতে খুব আনন্দের সাথে তাদের মাকে অনুসরণ করছিল। হঠাত্ মা হাঁস কিছু দূরে একটি শিয়াল দেখতে পেল। সে খুব ভয় পেল। চিত্কার করে বলল, “বাচ্চারা, জলদি হ্রদে যাও”। এখানে একটি শিয়াল আছে। হাঁস ছানাগুলো খুব দ্রুত হ্রদের দিকে এগিয়ে গেল। মা হাঁসটি ভেবে পাচ্ছিল না কি করবে। সে তার একটি ডানা মাটিতে ঘষতে ঘষতে আগু পিছু করতে লাগল। যখন শিয়ালটি তাকে দেখতে পেল সে খুশি হলো। সে ভাবল মনে হয় হাঁসটি ব্যথা পেয়েছে তাই উড়তে পারছে না। আমি সহজেই তাকে ধরে খেতে পারব। তখন শিয়ালটি তার দিকে দৌঁড়ে গেল। শিয়াল তাকে অনুসরণ করল। এখন শিয়াল তার ছানাগুলোর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। মা হাঁসটি তার ছানাগুলোর দিকে তাকালো এবং দেখলো তারা নিরাপদে হ্রদে পৌঁছে গেছে। সে স্বস্তি পেল। তাই সে থেমে একটি গভীর নিঃশ্বাস নিল। শিয়ালটি ভাবল হাঁসটি হয়ত ক্লান্ত হয়ে গেছে। সে কাছে এগিয়ে গেল। কিন্তু মা হাঁস দ্রুত তার ডানা ছড়িয়ে দিয়ে আকাশে উড়ে গেল। সে উড়ে গিয়ে হ্রদের মাঝে অবতরণ করল। ছানাগুলো তার দিকে সাঁতার কেটে পৌঁছে গেল। শিয়ালটি বিস্মিত হয়ে মা হাঁস এবং ছানা গুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। তারা হ্রদের মাঝে থাকায় শিয়ালটি তাদের কাছে আর পৌঁছতে পারল না।
৩. নিচে কয়েকটি শব্দ ও শব্দার্থ দেওয়া হলো। উপযুক্ত শব্দটি বাছাই করে নিচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থান পূরণ করে উত্তরপত্রে লেখ :
১ x ৫ = ৫
শব্দ শব্দার্থ
বিস্মিত অবাক হওয়া।
তাড়া ধরতে চাওয়া।
অনুসরণ পিছে পিছে যাওয়া/অনুরূপ আচরণ।
স্বস্তি নিরাপদ বোধ।
অবতরণ নেমে পড়া।
দ্রুত তাড়াতাড়ি।
(ক) আমাদের উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের - করা।
(খ) বাঘের- খেয়ে হরিণগুলো ছুটে পালালো।
(গ) সবাই ভালো আছে জেনে - পেলাম।
(ঘ) অতিথিবৃন্দ এই মাত্র বিমান থেকে - করলেন।
(ঙ) ছেলেটি জাদু দেখে রীতিমত - হয়েছিল।
৪. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ :
(ক) শিয়াল বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে রইল কেন? পাঁচটি বাক্যে লেখ। ৫
(খ) মা হাঁস নিজেকে এবং তার ছানাগুলোকে কীভাবে শিয়ালের আক্রমণ থেকে রক্ষা করল? পাঁচটি বাক্যে লেখ। ৫
(গ) তুমি তোমার মা-বাবার জন্য যা করতে পার পাঁচটি বাক্যে লেখ।৫
৫. নিচের যেকোনো পাঁচটি ক্রিয়াপদের চলিতরূপ লেখ : ৫
আসিয়াছে, চমকাইয়া, বেড়াইতে, মরিয়াছে, হইয়াছে, যাইতেছে, পারিবে।
৬. নিচের অনুচ্ছেদ পড়ে কে, কী, কোথায়, কীভাবে, কেন, কখন শব্দগুলোর যে কোনো পাঁচটি একবার ব্যবহার করে পাঁচটি প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরি কর। ১ x ৫ = ৫
আসলে উয়ারী এবং বটেশ্বর পাশাপাশি দুটি গ্রাম। এই দুই গ্রামে প্রায়ই বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান পাওয়া যেত। ১৯৩৩ সালে উয়ারী গ্রামে শ্রমিকরা মাটি খনন করার সময় একটা পাত্রে জমানো কিছু মুদ্রা পায়। স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ পাঠান সেখান থেকে ২০-৩০টি মুদ্রা সংগ্রহ করেন।
৭.নিচের যেকোনো পাঁচটি যুক্তবর্ণ ভেঙে লেখ ও প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে তৈরি শব্দ দ্বারা একটি করে বাক্য রচনা কর : ২ x৫ = ৫
ষ্ক, ট্ট, ন্ড, দ্ব, ত্ত, চ্ছ, দ্দ।
৮.নিচের অনুচ্ছেদটির যথাস্থানে বিরামচিহ্ন বসিয়ে উত্তরপত্রে লেখ : ৫
সর্বনাশ ঘটেছে রাজা দেখে যে তার শরীরে গেঁথে আছে অগুনতি সুচ রাজা কথা বলতে পারেন না শুতে পারেন না খেতেও পারেন না
৯. নিচের যেকোনো পাঁচটি বাক্য এককথায় প্রকাশ করে উত্তরপত্রে লেখ: ১ x ৫ = ৫
(ক) অন্ত নেই যার
(খ) কল্পনা করা যায় না এমন
(গ) যেখানে অনেক লোক একসাথে বাস করে
(ঘ) ভাবা যায় না এমন
(ঙ) যা পূর্বে ঘটেনি
(চ) যে অভিযান করে
(ছ) সাদরে গ্রহণ
১০. নিচের যেকোনো পাঁচটি শব্দের বিপরীত শব্দ উত্তরপত্রে লেখ : ৫
বিশ্রাম, সুন্দর, স্বার্থতা, নীরব, জোয়ার, কান্না, আসল।
১১. নিচের কবিতাংশটুকু পড়ে ক, খ ও গ ক্রমিকের প্রশ্নের উত্তর লেখ : আমরা ঘাসের ছোট ছোট ফুল
হাওয়াতে দোলাই মাথা,
তুলো না মোদের দলো না পায়ে
ছিঁড় না নরম পাতা।
শুধু দেখ আর খুশি হও মনে
সূর্যের সাথে হাসির কিরণে
কেমন আমরা হেসে উঠি আর
দুলে দুলে নাড়ি মাথা।
(ক) ঘাসফুলগুলো কী রকম? কিসে তারা মাথা নাড়ায়? ১ +১ = ২
(খ) কবিতাংশটুকুর মূলভাব পাঁচটি বাক্যে লেখ। ৫
(গ) তুমি কীভাবে বাড়ির আঙ্গিনার ফুল বাগানের যত্ন নেবে? তিনটি পদ্ধতি লেখ। ৩
১২. মনে কর, তুমি আগারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাও। তোমার নাম অনিমা/অমল। এখন প্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা নিচের ফরমটি পূরণ কর: ৫
ফরম
১। শিক্ষার্থীর নাম : ২। মাতার নাম :
৩। পিতা/অভিভাবকের নাম :৪। যে শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক : ৫। জন্ম তারিখ :
১৩. মনে কর, তোমরা শিমলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ। ৫
১৪. প্রদত্ত সংকেতের আলোকে নিচের যেকোনো একটি বিষয়ে ২০০ শব্দের মধ্যে একটি রচনা লেখ : ১০
(ক) টেলিভিশন : ভূমিকা, আবিষ্কার ও সম্প্রচার, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষার মাধ্যম রূপে টেলিভিশন, উপসংহার।
(খ) নিজ বিদ্যালয় : ভূমিকা, বিদ্যালয়ের বর্ণনা, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী, বিদ্যালয়ের জন্য করণীয়, উপসংহার।
(গ) আমার পোষা প্রাণী : ভূমিকা, বর্ণনা, স্বভাব, কেন প্রিয়, উপসংহার।
(ঘ) প্রিয় ঋতু : ভূমিকা, প্রকৃতি, কেন প্রিয়, সুবিধা, অসুবিধা, উপসংহার।
