গত ১৬ মার্চ ছিল ঠাট্টার ১৫তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে ঠাট্টার পাঠকদের জন্য থাকছে একগুচ্ছ গরমাগরম কৌতুক। পরিবেশন করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস পাপড়ি
প্রথম বন্ধু: তা তোর জন্মের সময়কার সেই মজার ও কাকতলীয় ব্যাপারটা কী রে?
দ্বিতীয় বন্ধু: আমি যেদিন জন্মগ্রহণ করি, ঠিক সেই দিনটিতেই আমার বাপজান বাবা হয়েছিলেন, শুধু তাই না আমার আম্মাজানও না-কি সেদিনই মা হয়েছিলেন, দ্যাখ ক্যামন মিল!
প্রথম মেয়ে: তুই তোর জন্মদিন ১৪ ফেব্র‚য়ারি পাল্টে অন্য দিনে করতে চাচ্ছিস কেন?
দ্বিতীয় মেয়ে: একই দিনে জন্মদিন আর ভালোবাসা দিবস পড়ায় জনি, অপু, রাজুদের কাছ থেকে আলাদা আলাদা গিফট পাচ্ছি না, তাই...!
প্রথম ব্যক্তি: তোর ভাবি তার জন্মদিন উপলক্ষে কক্সবাজার টু্যরে যেতে চেয়েছিল, খরচ বাঁচাতে আমি না গিয়ে শুধু ওকে একাই পাঠিয়ে দিয়েছি!
দ্বিতীয় বন্ধু: আমি তো পুরো খরচই বাঁচিয়েছি। জন্মদিনে বউকে আমার কলিগের সাথে তার খরচেই ব্যাংককে পাঠিয়ে দিয়েছি, তাও তো প্রায় এক মাস হলো। বুঝলি, আমার কতগুলো টাকা বেঁচে গেছে...!
প্রথম বন্ধু: দোস্ত, তুই আমার জন্মদিনে কোনো গিফট দিলি না, এই কথাটা আমি জীবনেও ভুলমু না।
দ্বিতীয় বন্ধু: তুই আমারে না ভোলোছ আমি তো সেটাই চাই! যে কলি যুগ, আজকাল মানুষ মানুষরে একদিনও মনে রাখবার চায় না!
ঠাট্টা: ভেবেছিলাম জন্মদিনে সবাই আমারে গিফট দিয়ে ভরিয়ে দিবে। গিফট ঠিকই পেলাম, কিন্তু ভেতরে কিচ্ছু নাই, ফকফকা!
পাঠক: ঠাট্টার জন্মদিনে ভালো কিছু দিলে ‘ঠাট্টা’ সেটাকে ঠাট্টা হিসেবেই উড়িয়ে দিত। এখন যেটা হলো— ঠাট্টার জন্য সেটাই বরং কার্যকর গিফট।
প্রেমিক তার প্রেমিকার সাথে মোবাইলে কথা বলছে।
প্রেমিক: স্যরি ময়না, এখন আমি আমার জানটুসের (ঠাট্টার!) জন্য জন্মদিনের গিফট নিয়ে যাচ্ছি, তোমার সাথে বিকেলে কথা হবে, কেমন!
প্রেমিকা: কী! তুমি অন্য মেয়ের সাথেও টাংকি মারো, দাঁড়াও আইজ তোমার একদিন কি আমার ঐ গিফটটা ছিনিয়ে নিতে যতক্ষণ লাগে।
