রাজশাহীর বাগমারায় খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে কানে হেডফোন লাগিয়ে ও পায়ে স্কেটিং জুতা পরে সড়কে ঘুরতে বেরিয়ে ট্রলির ধাক্কার প্রায় গেল এরশাদ আলী (১৫) নামে এক কিশোরের।
শনিবার (১৯ মার্চ) সকালে ভবানীগঞ্জ কেশরহাট সড়কে ট্রলির ধাক্কায় এরশাদ নিহত হয়। এরশাদ নওগাঁর সদর থানার আরজি নওগাঁর রহিদুল আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরশাদ তার খালু মচমইলের নজরুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। শনিবার সকালে সে পায়ে স্কেটিং জুতা ও কানে হেডফোন লাগিয়ে ভবানীগঞ্জ কেশরহাট সড়কে স্কেটিং করতে বের হয়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলি এরশাদকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলির পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই এরশাদের মৃত্যু হয়।
এরশাদের খালু নজরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার (১৮ মার্চ) এরশাদ আলী তার বাড়িতে বেড়াতে আসে। শনিবার সকালে সে বাড়ি থেকে ঘুরতে বের হয়ে দুর্ঘটনার কবলে পরে।
বাগামারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ জানান, ওই কিশোরের কানে হেডফোন ছিল। এ কারণে সে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রলির শব্দ শুনতে পায়নি বলে ধারনা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর পরই ট্রলির চালক পালিয়ে গেছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
