কিশোরগঞ্জে অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে চায়না দুয়ারী জাল

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২২, ১০:১৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে চায়না দুয়ারী জাল। এতে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে দেশি প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী।

জানা গেছে, হালকা ও মিহি বননের এ জাল সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ ফুট লম্বা হয়। প্রস্থ এক থেকে দেড় ফুট হয়ে থাকে। ভেতরে লোহার চারকোনা রড দিয়ে বানানো হয় ফ্রেম। প্রতিটি ফ্রেমেই রয়েছে দুই দিক থেকে মাছ প্রবেশের সুযোগ। জালের এক গিঁট থেকে আর এক গিঁটের দূরত্ব খুবই কম থাকায় মাছ একবার ভেতরে ঢুকলে আর বের হতে পারে না। এছাড়া এ জালের ব্যবহারে মারা পড়ছে পোনামাছ ও ডিম। সরেজমিনে উপজেলার ধাইজান, যমুনেশ্বরী, চাঁড়ালকাঁটাসহ বিভিন্ন খাল-বিলে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার চোখে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খগেন্দ্রনাথ রায় বলেন, চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহারের বিষয়টি শুনেছি। এই জাল কারেন্ট জালের চেয়েও ক্ষতিকর। জালে যে কোনো মাছ এবং জলজ প্রাণী প্রবেশ করলে বের হওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। উপজেলার কোথায় কোথায় এ জালের ব্যবহার হচ্ছে তা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, দেশি মাছ এবং জলজ প্রাণী রক্ষার জন্য এ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/এমআর