বরিশালে ব্যাংকের টাকা আত্মসাত্
বরিশাল অফিস
বরিশালে দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক ঋণ উত্তোলন ও আত্মসাতের মামলায় খালাস পেয়েছেন কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক, সাবেক কাউন্সিলর ও ঠিকাদার। তবে সাত বছর করে কারাদণ্ড ভোগ ও কোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে ঋণদাতা ঢাকা ব্যাংকের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে। বৃহস্পতিবার বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মহসিনুল হক এই রায় দেন। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মনজুরুল আহসান ফেরদৌস, নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাকির হোসেন জেলাল এবং ঠিকাদার আলতাফ হোসেন তালুকদার। এরা তিনজনই নগরীতে প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার। দণ্ডিতরা হলেন- ঢাকা ব্যাংকের বরিশাল শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক কেএইচএন আসাদুজ্জামান ও সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবীর। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার, জাল গ্যারান্টি পত্র, জাল অ্যাসেসমেন্ট ব্যবহার করে তারা এই জালিয়াতি করেন। দণ্ডিত দুই ব্যাংক কর্মকর্তা ২০১০ সালের ১৬ মে থেকে ২০১৩ সালের ৮ জুলাই ঢাকা ব্যাংকের বরিশাল শাখায় দায়িত্ব পালনকালে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। পরে আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়লে ব্যাংকের তত্কালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট আ. মালেক হাওলাদার বাদী হয়ে মহানগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় ২০১৩ সালের ৬ আগস্ট পৃথক দুইটি মামলা করেন। মামলা দুইটির একটিতে ৫২ লাখ ও অপরটিতে ২ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের বরিশাল কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর মামলাটি তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। দুই ব্যাংক কর্মকর্তা ও তিন ঠিকাদার যোগসাজস করে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাত্ করেছে বলে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট দেন দুদক কর্মকর্তা।
