পবিত্র লায়লাতুল কদর পালিত

আপডেট : ০১ জুন ২০১৯, ২২:২৩

যথাযথ পবিত্রতা, মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা লাইলাতুল কদর পালন করেছেন। গতকাল ২৬ রমজান দিবাগত রাত ছিল লাইলাতুল কদর হওয়ার সমূহ সম্ভাবনার রাত। হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও পূণ্যময় এ রজনীতে ইবাদত বন্দেগীর জন্য ইফতার ও মাগরিব নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মসজিদসমূহে জমায়েত হতে শুরু করেন। মুসলিম নারীরা ঘরে ঘরে এ রাতের ইবাদতে মশগুল থাকেন। গোটা রাত তারা কাটান ইবাদত-তাসবিহ-তাহলিল-তেলাওয়াতে।

মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিশেষ রহমত এবং অনুগ্রহের রজনী হচ্ছে লাইলাতুল কদর। রমজান মাসের এ রজনীতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি পবিত্র কোরআন নাযিল শুরু হয়েছিল। এ রাতের ইবাদত বন্দেগীকে নাজাতের উছিলা এবং হাজার মাসের ইবাদতের চাইতে উত্তম বলে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এ রাতে নিজে ইবাদতে মশগুল থাকতেন এবং তাঁর সাহাবীদেরও বেশি বেশি ইবাদত করার নির্দেশ দিতেন। রমজান মাসের ২১ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে বেজোড় সংখ্যার রাতেই পবিত্র লাইলাতুল কদর। তবে ২৭ রমজান অর্থাত্ ২৬ রমজান দিবাগত রাতকেই কদরের রাত হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।

রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি জমায়েত হয়ে রাতভর ইবাদত বন্দেগী করেন। কবরস্থানে জিয়ারতকারীদের ভিড় ছিল সারা রাতই। ছিল কোরআন খানি, নামাজ, জিকির, দোয়া মাহফিল, দান খয়রাত, বয়ান ও বিশেষ দোয়া। রোজাদার মুসলমানগণ ক্ষমার শেষ সুযোগ মনে করে এ রাতে মোনাজাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

প্রতিটি মসজিদেই আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করা হয়।