দক্ষতার সাথে করোনা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে চীন। বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের কালচার অ্যান্ড এডুকেশন অ্যাফেয়ার্সের কাউন্সিলর মি. লিউয়েন ইউই বলেছেন, আমরা আন্তরিকভাবে খুবই খুশি যে, বাংলাদেশ খুবই কার্যকরভাবে 'কোভিড-১৯' মহামারি নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
বুধবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটরিয়ামে 'চাইনিজ কর্নার' এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে অনলাইনে মি. লিউয়েন ইউই এমন কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এই প্রথম চাইনিজ কর্নার উদ্বোধন করা হচ্ছে। এই কর্নার উদ্বোধনের ফলে কালচারাল এক্সচেঞ্জের একটা সুযোগ তৈরি হল। গবেষণা ও শিক্ষায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের মধ্যে অগ্রগামী একটি প্রতিষ্ঠান। চাইনিজ কর্নারের জন্য এটি উপযুক্ত স্থান বলে মনে করি। ভবিষ্যতে এখানে সবধরনের সহযোগিতা আমরা করবো। পাশাপাশি, চীনের সংস্কৃতি নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে তাদের জন্য এই কর্নার সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করে যাচ্ছে, সামনেও সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের উন্নয়নে চীনের ভূমিকা রয়েছে। আমাদের মেগাপ্রজেক্টগুলোতে চীনের বিশাল ভূমিকা রয়েছে। এ চাইনিজ কর্নার দ্বারা পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ ছাড়াও অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। এছাড়া, এ ধরণের উদ্যোগ নেওয়ায় চীন সরকার ও এ্যাম্বাসিকে ধন্যবাদ দেন তিনি।
শাবির পিএসএস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফাখরুছ ছালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক দিলারা রহমান। এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চাইনিজ কর্নারের তত্ত্বাবধায়ক ও পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাবুল হক এবং অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের এ পর্ব শেষে শাবির একাডেমিক 'ভবন- এ’ এর ৪০৮ নম্বর কক্ষে কেক কেটে চাইনিজ কর্নার উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
