সিরাজগঞ্জে ইফতারির বাজার জমজমাট 

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২২, ১২:৪৬

সিরাজগঞ্জে ইফতারির বাজার জমজমাট। নিত্যদিনই সন্ধ্যা যত ঘনিয়ে আসে ইফতারের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক আর ক্রেতাদের ক্রয় উৎসবে জমজমাট হয়ে উঠেছে ইফতার বাজার। 

সিরাজগঞ্জে বড় বাজার, বাজার ষ্টেশন, মিরপুর ওয়াবদা, কাটা ওয়াবদা, সহ সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকেই ফুটপাতগুলোতে ইফতার তৈরি হচ্ছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরাসহ বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ, মিষ্টি ও খাদ্যদ্রব্যের দোকানের সামনে সামিয়ানা টানিয়ে বসেছে বাহারি এসব ইফতার। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ ইফতার সামগ্রী কিনতে দোকান গুলোতে ভিড় জমাচ্ছে। ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, বেগুনি, খেজুর, ডিম চপ, জিলাপি, চপ, শরবত, হালিমসহ রকমারি সব ইফতারের আয়োজন।

ইফতার বিক্রির দোকান দিয়েছেন হাফিজ জানালেন, প্রতিবছরই ইফতার বিক্রি করি। আলুর চপ, বেগুনি, বুরিন্দা, জিলাপি, হালিমসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী এখানেই তৈরি করে বিক্রি করছি।

অভিজাত রেস্তোরা ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ইফতার বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দামে। এর মধ্যে ছোলা ১৫০ টাকা কেজি, জিলাপি ৭০ টাকা কেজি, বুন্দিয়া ১৫০-২০০ টাকা কেজি, ঘোল ৮০ টাকা কেজি, মাঠা ১০০-১২০ টাকা কেজি, খেজুর ১৫০-৮০০ টাকা কেজি, কলা ৩০-৩৫ টাকা হালি, মুড়ি দেশি ১২০ টাকা, প্যাকেট মুড়ি ৮০ টাকা কেজি, লেবু ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়াও চপ, বেগুনি, পেঁয়াজু প্রতিটি পিস বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকায়। 

সিরাজগঞ্জের ষ্টেশন সংলগ্ন বাজারে ইফতারি বিক্রেতা আলী আলম জানায়, আমার দোকানে ৫ জন কর্মচারী কাজ করে। রোজার প্রথম দিন থেকেই ব্যাপকভাবে ইফতারি ক্রয়ে ভিড় জমায় ক্রেতারা। গত রোজায় অনেক ইফতার সামগ্রী ক্রেতার অভাবে অবিক্রিত থাকতো। এবার তা থাকছে না। 

ইফতার সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসা জনৈক ক্রেতা জানায়, ফুটপাতের দোকানের চেয়ে শহরের অভিজাত রেস্তোরা গুলোতে ইফতার সামগ্রীর দাম আরও বেশি। 

 

ইত্তেফাক/এআই