দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড গড়া ইনিংস

আপডেট : ০২ জুন ২০১৯, ১৯:৫৮

দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের জন্য ৩৩১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। ওভালে রবিবার টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ৩৩০ রান করেছে মাশরাফি বাহিনী। বিশ্বকাপ তো বটেই ওয়ানডেতেই এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এর আগে ওয়ানডেতে ২০১৫ সালে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩২৯ রান করে বাংলাদেশ। আর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একই বছর সর্বোচ্চ ৩২২ রান করেছিল টাইগাররা। চলতি বিশ্বকাপে শুরুর পাঁচ ম্যাচেও এটি সবচেয়ে বড় স্কোর। 

ওভালে টস জিতে বাংলাদেশকে শুরুতে ব্যাটিংয়ে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। ব্যাট হাতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার দারুণ সূচনা এনে দেন। দলীয় ৬০ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে আন্দিলে পেলুকায়োর বলে কট বিহাইন্ড হয়ে যান তামিম। আউট হওয়ার আগে ২৯ বল থেকে একটি চারের মারে ১৬ রান করেন।

এরপর দ্বাদশ ওভারের চতুর্থ বলে ক্রিস মরিসের শর্ট বল খেলতে গিয়ে পরাস্ত হন সৌম্য। বল গ্লাভসে লেগে চলে যায় উইকেটের পেছনে থাকা কুইন্টন ডি ককের হাতে। আউট হওয়ার আগে অবশ্য ৩০ বল থেকে ৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। 

তৃতীয় উইকেটে এসে চিত্রনাট্য পাল্টে দেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বকাপে জুটিতে সর্বোচ্চ ১৪২ রান করেন তারা। এই ম্যাচেই তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। রেকর্ড জুটি ও ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করার পর বিদায় নেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। ইমরান তাহিরের বলে বোল্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৮৪ বলে ৭৫ রান করেন সাকিব।

এরপর ক্রিজে আসেন মিঠুন। কিন্তু তিনি বেশিক্ষণ থাকতে পরনেনি। দলীয় ২৪২ রানে সেই ইমরান তাহিরের বলে ২১ রানে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। দলীয় ২৫০ রানে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে ফিরে যান মুশফিকও। এরপর মাহমুদউল্লাহ-মোসাদ্দেক ৬৬ রানের দারুণ একটা জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াকু স্কোর এনে দেন। ২৬ রান করে মোসাদ্দেক আউট হলেও ৩৩ বল থেকে ৪৬ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।  

প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে ক্রিস মরিস, ইমরান তাহির ও আন্দিলে পেলুকায়ো দুটি করে উইকেট নেন। 

ইত্তেফাক/কেআই