সৈয়দপুরে ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। এছাড়া কৃষি জমিতেও গড়ে উঠছে অসংখ্য ইটভাটা। ভাটাগুলোর বিষাক্ত ধোঁয়া চারপাশে ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করছে। এছাড়া অবৈধভাবে জমির উর্বর মাটি কেটে মিল-কারখানায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে কমছে আবাদি জমি ও ফসল।
সরজমিন উপজেলার কামারপুকুর, বোতলাগাড়ী, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর ও বাঙালিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি বিনষ্টের চিত্র চোখে পড়ে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, দুই ফসলি জমির মাঠ রয়েছে এই এলাকায়। জমিগুলোতে প্রতি বছর সরিষা ও বোরো ধান আবাদ করা হয়। একশ্রেণীর অসৎ ব্যবসায়ী জমির মালিক কৃষকদের ফুসলিয়ে জমির মাটি নিয়ে যাচ্ছে।
বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের মতিয়ার রহমান নামের আরেক কৃষক বলেন, দুই বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। আমার পার্শ্ববর্তী জমিতে ভেকু দিয়ে গভীর গর্ত করে মাটি কেটে ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছেন এক মাটি ব্যবসায়ী। এ মাটি তিনি বেশি মূল্য দিয়ে কিনছেন। এতে আমার ফসলি জমিও বিনষ্টের পথে।
সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহিনা বেগম বলেন, কৃষি জমির মাটি কাটা ও অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটার অনুমোদন বন্ধ হওয়া উচিত।
পরিবেশ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন জানান, ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
