মহম্মদপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা
মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ শয্যার ভবনটি উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও চালু হয়নি এর কার্যক্রম। বাধ্য হয়েই মেঝেতে চিকিত্সা নিচ্ছে রোগীরা। এতে করে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না উপজেলার তিন লাখ মানুষ। সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ৩১ শয্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। বিভিন্ন সময়ে রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেঝেতে বিছানা বিছিয়ে নোংরা পরিবেশে চিকিত্সা নিচ্ছে। তাছাড়া এক বেডে কয়েকজন রোগীকে চিকিত্সা নিতে দেখা গেছে। শয্যা নিয়ে প্রতিদিন বাকবিতণ্ডা হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রোগী ও তাদের অভিভাবকদের। পুরনো ভবনের পাশেই ৫০ শয্যার নতুন ভবনে রয়েছে ১৯টি বেড। আধুনিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ভবনটি। নতুন এ ভবনটিতে পানি ও টয়লেটের ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। এরপরও রোগীরা ৫০ শয্যার স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
উপজেলার পূর্বনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বাকা মিয়া বলেন, “৫০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রমটি চালু হলে আমরা হয়তো একটু ভালো চিকিত্সা নেওয়ার সুযোগ পেতাম।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোকছেদুল মোমেনিন বলেন, “৫০ শয্যা হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিত্সক, লোকবল এবং অবকাঠামো চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে বারবার অবহিত করেও সদুত্তর পাইনি। ”
