‘জঙ্গি তৎপরতার বার্তা’ পাওয়ায় এবার নববর্ষে রমনার অনুষ্ঠান ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) রমনা বটমূলে নিরাপত্তা প্রস্তুতি ঘুরে দেখার পর এ কথা বলেন তিনি।
এবার বাড়তি নিরাপত্তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কিছু বন্ধু রাষ্ট্র জঙ্গিদের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দিচ্ছে। উপমহাদেশে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারণা করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছু রেডিক্যালাইজড সংগঠনের তৎপরতা লক্ষ্য করছি। সে কারণেই আমাদের বাড়তি নিরাপত্তা।
ডিএমপি কশিনার বলেন, ‘২০০১ সালে রমনা বটমূলে জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে প্রতিবারেই বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়। কোনো হামলার আশঙ্কা আমরা করছি না। যেহেতু নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে কোনো কিছুই উড়িয়ে দিচ্ছি না।’
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘লোন উলফ কেউ একটা ছুরি বা ব্লেড নিয়ে যদি হামলা করে, এটাতো একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
পুলিশ কমিশনার জানান, রমনার বটমূলে প্রবেশে চেকপোস্ট থাকবে। সেখানে তল্লাশি করে তবেই ঢুকতে দেওয়া হবে। কোনো যানবাহন পহেলা বৈশাখে ওই এলাকায় চলবে না।
করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণের আয়োজন হয়নি। সংক্রমণ কমে আসায় আসছে বৃহস্পতিবার ভোরে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষণবরণ অনুষ্ঠান হবে।
মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের জন্য গতিপথ বদলে চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা টিএসসি থেকে ভিসির চত্বর পর্যন্ত রাস্তায় হবে।

