বাগমারায় আবারও পড়ে গেছে পেঁয়াজের বাজার দর। এই দরে পেঁয়াজ বিক্রি করে কৃষক খরচের টাকা তুলতে পারছেন না। তারপরও পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো সুযোগ না থাকায় কৃষক লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
উপজেলার বিহানালীর কৃষক জাবান আলী জানান, তার দুই বিঘা জমির পেঁয়াজ জমিতেই পড়ে আছে। শ্রমিক দিয়ে এ পেঁয়াজ তুলে হাটে নিয়ে গিয়ে তার উৎপাদন খরচই উঠবে না। তাই তিনি জমিতেই ফেলে রেখেছেন।
খামার গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার জানান, তিনি এবার ১৫ কাঠা জমিতে আল পেঁয়াজ রোপণ করেছেন। প্রতিকাঠায় তার বীজ, সার সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মিলে খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার টাকা। কিন্তু বর্তমান বাজারে পেঁয়াজের দর প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী দিনগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কৃষক পেঁয়াজ চাষ করে লাভের মুখ দেখতে পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া বাগমারায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।’ এছাড়া বেসরকারি বা ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ পেঁয়াজ সংরক্ষণে আগ্রহী হলে তাকে পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
