ছিল বইয়ের বাজার হয়ে গেল পোশাকের মার্কেট। বাংলা বইয়ের বাজার থেকে বাংলার পোশাকের বাজারে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেই পোশাকের মার্কেটেও গড়ে উঠেছে একটা চরিত্র নিয়ে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের জন্য দেশি খাদি, সুতি কাপড়ে দেশি ডিজাইনের পোশাক পাওয়া যায় এখানে। রাজধানীর সব মার্কেটের চাইতে ভিন্ন চরিত্র শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের।
খাদি কাপড়ে আমাদের তরুণ শিল্পীদের ডিজাইনে বর্ণিল সালোয়ার-কামিজ, টপস ও পাঞ্জাবির ভিন্নধর্মী কালেকশন রয়েছে এখানে। তরুণ শিল্পীদের কাছে সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, পাঞ্জাবির জমিন হয়ে ওঠে একেকটি ক্যানভাস। সেই ক্যানভাসে সবাই নিরীক্ষামূলক কাজ করেন। যা এখানকার পোশাকগুলোকে আলাদা চরিত্র এনে দিয়েছে।
এবারের ঈদেও দেশি কাপড় ও দেশজ ঐতিহ্যনির্ভর পোশাক নিয়ে এসেছে আজিজের বিভিন্ন বুটিক শপগুলো। জমে উঠেছে আজিজ সুপার মার্কেটের ঈদের বেচাকেনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ, হোম ইকোনমিক্স কলেজের শিক্ষার্থীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার তরুণ-তরুণীরা নিত্যনতুন বাহারি পোশাকের টানে আসেন এখানে। শিক্ষার্থীদের অনেকেই বাড়ি চলে যাবেন তাই কেনাকাটা জমে উঠেছে আগেই। আজিজ মার্কেটের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার অসংখ্য পোশাকের দোকান। বর্ণিল সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা, পাঞ্জাবি, শাড়ি এবং ছেলেদের শার্ট ও টি-শার্টে ঝলমল করছে পুরো মার্কেট।
পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ, শাড়িসহ নানা পণ্যের পসরা এখানে। এবারের ঈদ উপলক্ষ্যে ছেলেদের নানা ডিজাইনের পাঞ্জাবি রয়েছে। এসব পাঞ্জাবির দাম বেশ কম ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় মিলবে পাঞ্জাবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অয়ন বললেন, বাড়ি চলে যাব তাই পাঞ্জাবি কিনতে এসেছি। এখানকার ডিজাইনগুলো ভালো লাগে। তাই এসেছি। এখানে সিল্কের পাঞ্জাবির পাশাপাশি রয়েছে সুতি, খাদি, সিল্ক এবং তাঁতের কাপড়ের পাঞ্জাবি। এর মধ্যে সাদা সুতি পাঞ্জাবি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, রঙিন সুতি হাতের কাজের পাঞ্জাবি ৯০০-১ হাজার ৩০০ টাকা, সিল্কের এক্সক্লুসিভ পাঞ্জাবি ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা, শর্ট পাঞ্জাবি ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।
