ক্রেতাদের চাপে ঢাকার শপিংমলগুলোর দোকানকমীর্দের দম ফেলারও যেন ফুরসত নেই। কেউ ব্যস্ত পণ্যের গুণাগুণ বর্ণনায়। কেউ ব্যস্ত দৈহিক গড়ন অনুযায়ী পছন্দসই পণ্য ক্রেতার হাতে পৌছানোর কাজে। আবার কেউ ব্যস্ত ক্যাশ কাউন্টারে। আর ক্রেতারাও পছন্দসই পণ্য দেখে শুনে কিনতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এভাবেই ব্যস্ত রাজধানীর শপিংমলগুলো। বেশি সমাগম লক্ষ্য করা গেল শপিংমলের পোশাক ও জুতার দোকানগুলোতে।
নারী পুরুষেরা নিজেদের পছন্দমত পোশাক কেনার পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্যও ক্রয় করছেন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক। শিশুরাও বাবা-মার সঙ্গে শপিংমলগুলোতে ঘুরে ঘুরে মনের আনন্দে বাহারি রঙের পোশাক কিনছে। অলংকারের দোকানগুলোতেও ভিড় করছেন নারীরা।
একাধিক দোকানের বিক্রয়কমীর্রা জানান, এবারের ঈদে বিক্রি বেশ ভালো। গত দুই বছর করোনার কারণে লোকজন কেনাকাটা করতে পারেনি। এখন কোন ধরনের শঙ্কা ছাড়াই তারা বিভিন্ন দোকান ঘুরে ঘুরে ঈদের কেনাকাটা করছেন।
মিরপুর থেকে এসেছেন গৃহিনী শামীমা আফরোজ। তিনি একটি নামকরা ব্র্যান্ডের দোকান থেকে স্বামীর জন্য পাঞ্জাবির পাশাপাশি নিজের জন্য কিনেছেন একটি শাড়ি। তবে এবারে পোশাকের দাম অনেক বেশি বলে জানান ওই নারী।
চাকরিজীবী রোমেনা আফরোজ এসেছেন শিশুদের জন্য পোশাক কিনতে। তিনিও কয়েকটি পোশাক ক্রয় করলেন। এতে তার সঙ্গে আসা শিশুরাও অনেক খুশি। পোশাক ক্রয়ের পাশাপাশি শিশুরা তাদের মনমত জুতা ক্রয় করছেন।
সকাল থেকে এভাবেই শপিং মলগুলোতে পণ্য বিক্রি শুরু হয়। চলে মধ্য রাত অবধি। চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে এই কেনাকাটা।
শুধু শপিংমলগুলোতেই নয় ঈদের বাজার জমে উঠেছে ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। সেখানেও ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড়। নিম্নবিত্তের লোকজন তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী পোশাক-পরিচ্ছদ কেনেন।

ঢাকা মেট্রো রেল ব্যাংককের মতো আধুনিক হবে : থাই রাষ্ট্রদূত