ভারত নিয়ন্ত্রিত ফ্রি তিব্বত-ইন্ডিয়া (এসএফটি) নামক একটি ছাত্র সংগঠন ১১তম পঞ্চেন লামার অবস্থান সম্পর্কে জানানোর জন্য চীনকে আহ্বান জানিয়েছে। তিনি উত্তর ভারতের পাহাড়ী শহর ধর্মশালার বাসিন্দা ছিলেন। তার ৩৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই আহ্বান জানায় ছাত্ররা।
১১তম পঞ্চেন লামার জন্মদিনকে ঘিরে ম্যাক্লিওডগঞ্জ চত্বরে জড়ো হয় তিব্বতের মানুষ। সেখানে তারা কেক কাটেন এবং পঞ্চেন লামাকে বন্দি দশা থেকে ছেড়ে দেওয়া ও তার অবস্থান জানানোর জন্য চীনকে আহ্বান জানান।
তিব্বতে দালাই লামার পর পঞ্চেন লামা হচ্ছেন সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা। ১৯৯৫ সালে ৬ বছরের শিশু গেধুন চোয়েকি নাইমাকে ১১তম পঞ্চেন লামা হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপরেই গেধুন চোয়েকি নাইমা ও তার পুরো পরিবার নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। তার বদলে গয়াইনকাইন নরবু-কে ১১তম পঞ্চেন লামা হিসেবে নিয়োগ দেয় চীনা প্রশাসন।
কিন্তু গত ২৭ বছর ধরে গেধুন চোয়েকি নাইমাকেই আসল ১১তম পঞ্চেন লামা হিসেবে মান্য করে আসছে তিব্বতের জনগণ।
