বিগত ২১ থেকে ২৪ মার্চ ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবসমূহের ওপর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক আয়োজিত গণশুনানি হলো| তাতে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যহার পেট্রোবাংলা ভারিত গড়ে ১১৭ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে| বিইআরসি কারিগরি কমিটি ২০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে| ক্যাব ১.৬৫ শতাংশ (প্রতি ঘনমিটারে ০.১৭ টাকা) কমানোর প্রস্তাব করেছে এবং সব শ্রেণির ভোক্তার জন্য বিদ্যমান মূল্যহার ৯.৬৯ টাকা বহাল রাখতে বলেছে| তবে গ্যাস তছরুপ প্রতিরোধে মাসিক ৭৭ ঘনমিটারের পরিবর্তে ৪০ ঘনমিটার ব্যবহার ধরে মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকদের চুলাপ্রতি গ্যাসের মূল্যহার কমানোর এবং কস্ট প্লাসের পরিবর্তে আগামী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত জিটিসিএলের সঞ্চালন চার্জ ও তিতাসের বিতরণ চার্জ মুনাফা ব্যতীত শুধু কস্টের ভিত্তিতে নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে ক্যাব|
পেট্রোবাংলার প্রস্তাবে এসওসির (দেশি কোম্পানি) গ্যাস ক্রয় মূল্যহার ৬০ শতাংশের অধিক এবং লাইসেন্সিগণের প্রস্তাবে সঞ্চালন ও বিতরণ চার্জহার যথাক্রমে ১২৯ শতাংশ ও ১২০ শতাংশ—৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়| গণশুনানিতে পেট্রোবাংলাসহ কোনো লাইসেন্সিই তাদের কোনো প্রস্তাব ন্যায্য ও যৌক্তিক বলে প্রমাণ করতে পারেনি| ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যহার ২০ শতাংশ বৃদ্ধির ব্যাপারে কারিগরি কমিটির প্রস্তাবও ন্যায্য ও যৌক্তিক বলে প্রমাণিত হয়নি| এর পরও ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির আদেশ হবে| বিইআরসিতে সেই প্রস্ত্ততি চলছে| ভোক্তারা আশঙ্কা করে, বরাবরের মতো মূল্যবৃদ্ধির আদেশে গণশুনানি ‘প্রহসনে’ পরিণত হবে|
গণশুনানিতে জানা যায়, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে নির্ধারিত চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ না হওয়ায় উভয় বছরে যথাক্রমে ৭ হাজার ২৮৪.৩ ও ৭ হাজার ৬৪৮.৮ কোটি টাকা রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে| সেসব উদ্বৃত্ত রাজস্ব পেট্রোবাংলার প্রস্তাবে সমন্বয় করা হয়নি এবং ভর্তুকিও বিবেচনায় আসেনি| কারিগরি কমিটি তার প্রস্তাবে ভর্তুকি কিংবা উদ্বৃত্ত রাজস্ব এলএনজি ক্রয়ে রাজস্ব চাহিদায় সমন্বয় করেনি| তবে ভর্তুকি বাবদ ৭ হাজার কোটি টাকা এবং উদ্বৃত্ত রাজস্ব বাবদ ২ হাজার ৫৩৭.৯১ কোটি টাকা পেট্রোবাংলার আয় হিসেবে গণ্য করেছে| কিন্তু ক্যাবের প্রস্তাবে ভর্তুকি বাবদ বিদ্যমান ভর্তুকি ১০ হাজার ৭৯২ কোটি টাকা ও উদ্বৃত্ত রাজস্ব বাবদ ২ হাজার ৫৩৭.৯১ কোটি টাকা এলএনজি ক্রয়ে রাজস্ব চাহিদায় সমন্বয় করা হয়েছে| ফলে এলএনজি ক্রয়ে প্রতি ঘনমিটারে নিট রাজস্ব চাহিদা পেট্রোবংলা, কারিগরি কমিটি ও ক্যাবের প্রস্তাবে যথাক্রমে ৫০.৩৪, ৪৮.০৮, এবং ২৭.০০ টাকা এবং এর বিপরীতে এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে যথাক্রমে ৮৫০ এমএমসিএফডি (চুক্তিভিত্তিতে ৭৫৭.৬৮ এবং স্পটমার্কেট থেকে ৯২.৩১ এমএমসিএফডি), এবং ৬৮৪.৮৫ এমএমসিএফডি (চুক্তিভিত্তিতে ৫৮৫.৫৭ এবং স্পট মার্কেট থেকে ১০০.২৮ এমএমসিএফডি), এবং ৬৭৬.৮৮ এমএমসিএফডি (চুক্তিভিত্তিতে ৫৮৫.৫৭ এবং স্পটমার্কেট থেকে ৯২.৩১ এমএমসিএফডি)|
পেট্রোবাংলার প্রস্তাবে প্রতি ঘনমিটার এসওসি, আইওসি, চুক্তিভিত্তিক এলএনজি, এবং স্পটমার্কেট এলএনজির ক্রয় মূল্যহার ২০২১-২২ অর্থবছরে ধরা হয় যথাক্রমে ১.০৩, ২.৭৮, ৩১.৫৪, এবং ৮৩.৪৭ টাকা| অথচ ২০২০-২১ অর্থবছরে চুক্তিভিত্তিক ও স্পটমার্কেট এলএনজির ক্রয় মূল্যহার ছিল যথাক্রমে ২০.৫০, এবং ২৬.১৭ টাকা| তখন এলএনজি কম আমদানি হওয়ায় রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে| যে গ্যাস এক টাকায় পাওয়া সম্ভব, সে গ্যাস উত্পাদন ও মজুত বৃদ্ধিতে মনোযোগী না হয়ে বর্তমান অর্থবছরে অধিক মূল্যে এলএনজি আমদানি বৃদ্ধিতে মনোযোগী হওয়ায় রাজস্ব ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা সমন্বয়ে মূল্যবৃদ্ধি করা হবে| তাতে ক্যাবের আপত্তি রয়েছে| কারণ নিজস্ব গ্যাস উত্পাদন ও মজুত বৃদ্ধির পরিবর্তে চাহিদার তুলনায় এত অল্প পরিমাণে অতি উচ্চ মূল্যের স্পটমার্কেট—এলএনজি আমদানি দ্বারা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত তৈরি করা সেবার স্বার্থে নয়, অসাধু ব্যবসার স্বার্থে| এমন অসাধু ব্যবসা প্রতিরোধ করার ব্যাপারে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও বিইআরসি নিষ্ক্রিয়| ভোক্তা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন| বিইআরসির এই নিষ্ক্রিয়তা গ্যাস-সংকট মোকাবিলায় এক বিরাট বাধা| মূল্যবৃদ্ধি না করেও নানা ধরনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় দ্বারা ভতুর্কি কমানো সম্ভব| অথচ মূল্যবৃদ্ধি ব্যতীত অন্য কোনো কিছু বিইআরসির বিবেচনায় নেই|
এসওসির গ্যাস ক্রয়মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য বিবেচিত না হওয়ায় কারিগরি কমিটি বিদ্যমান ক্রয় মূল্যহার ১.০৩ টাকা বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে| ক্যাবের প্রস্তাবেও বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে| পেট্রোবাংলা প্রস্তাবে বর্ণিত আইওসির গ্যাস ক্রয় মূল্যহার ২.৭৮ টাকা উভয় পক্ষই গ্রহণ করেছে|
এসওসিসহ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইসেন্সিদের রাজস্ব চাহিদায় ‘ডাবলিউপিপিএফ’ ও ‘করপোরেট কর’ সমন্বয় হবে না| কারণ তা লাইসেন্সিদের নিট মুনাফা হতে প্রদেয়| তাই সঞ্চালন ও বিতরণের রাজস্ব চাহিদা নির্ধারণে ‘ডাবলিউপিপিএফ’ ও ‘করপোরেট কর’ ক্যাবের প্রস্তাবে বিবেচনা করা হয়নি| কিন্তু কারিগরি কমিটি ও লাইসেন্সিদের প্রস্তাবে বিবেচনা করা হয়েছে|
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যমান সঞ্চালনক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অংশ অব্যবহূত থাকে বা স্বল্প ব্যবহার হয়| ২০১৫ সালে সঞ্চালন চার্জহার ছিল ০.১৫৬৫ টাকা| ২০১৯ সালের আদেশে তা হয় ০.৪৩৩৫ টাকা, প্রায় তিন গুণ| জিটিসিএল প্রস্তাব করেছে ০.৭৩১৮ টাকা| কারিগরি কমিটি প্রস্তাব করেছে ০.৪৮৯০ টাকা| তবে ঋণের আসল ও নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন বাবদ ব্যয়হার ০.২৪০৫ টাকা সমন্বয় হলে, তা হবে ০.৯৭ টাকা| অর্থাত্ পাঁচ গুণেরও বেশি| ক্যাবের প্রস্তাবে জিটিসিএলের রাজস্ব চাহিদায় ‘ডাবলিউপিপিএফ’ ও ‘করপোরেট কর’ সমন্বয় হয়নি| ফলে বিদ্যমান চার্জহারে জিটিসিএলের রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে ৪৫.১৩ কোটি টাকা|
২০২১-২২ অর্থবছরে কারিগরি কমিটি জিটিসিএলের নিট মুনাফা ও অবচয় প্রস্তাব করেছে যথাক্রমে ৪৫৬.৭৩ ও ৪৪২.৬১ কোটি টাকা| ২০১৫ সালের আদেশে জিটিসিএলের নিট মুনাফা ও অবচয় ব্যয় ছিল যথাক্রমে ১১৩.৪৮ ও ১৪৮.৬৫ কোটি টাকা| ২০১৯ সালের আদেশে নিট মুনাফা ও অবচয় ব্যয় ছিল যথাক্রমে ৬২০.৬০ ও ৪৬৭.৪০ কোটি টাকা| ২০১৫ সালের তুলনায় ২০২২ সালে জিটিসিএলের সঞ্চালন ও অবচয় ব্যয়, এবং নিট মুনাফা বৃদ্ধি পায় যথাক্রমে ৫১৯.৮১ শতাংশ ও ২১৪.৪৩ শতাংশ এবং ৬৯১.৬০ শতাংশ| অথচ সঞ্চালনে ইনটেক গ্যাস ছিল ২০১৫ সালে ২৬ হাজার ৫২২.৪৯ ঘনমিটার এবং ২০২২ সালে হবে ২৬ হাজার ৩৯৩.০৪ ঘনমিটার| অর্থাত্ ২০২২ সালে জিটিসিএল কতৃর্ক ২০১৫ সালের তুলনায় ০.৪৯ শতাংশ গ্যাস কম সঞ্চালন হবে| মুনাফা ও অবচয় তথা সঞ্চালনক্ষমতা অব্যাহত বৃদ্ধি গ্যাস সঞ্চালন বৃদ্ধির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সঞ্চালন খাত উন্নয়নে অস্বচ্ছতার প্রমাণ|
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিইআরসি আইনের ২২ (ঘ) উপধারা মতে লাইসেন্সিং সামগ্রিক পরিকল্পনার ভিত্তিতে গৃহীত স্কিম অনুমোদনের একক এক্তিয়ার বিইআরসির| অথচ জিটিসিএল কতৃর্ক গৃহীত কোন স্কিম/প্রকল্পে বিইআরসির কোনো অনুমোদন নেই| সঞ্চালনক্ষমতা উন্নয়নে গৃহীত কোনো প্রকল্পে গ্যাস প্রাপ্তিও অনিশ্চিত|
তাই বিইআরসির জন্য সঞ্চালন ও অবচয় ব্যয়, এবং মুনাফা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা কেবল সঞ্চালনেই জরুরি নয়, আমদানি, অনুসন্ধান, উত্পাদন এবং বিতরণেও সেসব ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ জরুরি| গণশুনানিতে সঞ্চালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সঞ্চালনক্ষমতা যে অনুপাতে ব্যবহার হবে, সে অনুপাতে অবচয় ব্যয় রাজস্ব চাহিদায় সমন্বয় করে সঞ্চালন চার্জহার নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে| পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত জিটিসিএলের মুনাফার মার্জিন স্হগিত রেখে ব্রেক-ইভেনে পরিচালিত হবার আদেশ চাওয়া হয়েছে|
এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের পণ্য আমদানিতে ১,১৯,৩৮,৪৮৫ ডলার পরিমাণ অর্থের কাস্টমস সার্টিফাইড বিল অব এন্ট্রি জমা হয়নি বিধায় ঐ পরিমাণ অর্থ রি-গ্যাসিফিকেশন চার্জহার নির্ধারণে সমন্বয় না করা এবং শেয়ারহোল্ডারদের বিনিয়োগের ওপর ১৮ শতাংশ সুদ প্রদানের পরিবর্তে অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে ৭ শতাংশের বেশি সুদ গ্যাসের মূল্যহারে সমন্বয় না করার প্রস্তাব করা হয়েছে| ২০২১ সালে এলএনজি রি-গ্যাসিফিকেশন এবং পেট্রোবাংলার এলএনজি অপারেশনাল চার্জহার ছিল যখাক্রমে ১.২৭ টাকা ও ০.১৬ টাকা| কারিগরি কমিটি প্রস্তাব করে যথাক্রমে ২.১৭ ও ০.২৯ টাকা| উভয় ক্ষেত্রেই চার্জবৃদ্ধির এমন অসামঞ্জস্য প্রস্তাব ন্যাঘ্য ও যৌক্তিক নয় বিধায় তাতে ক্যাবের আপত্তি রয়েছে| এই আপত্তি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চার্জহার বলবত্ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে|
বিতরণ লাইসেন্সিদের বিতরণ চার্জ শূন্য হলেও, তাদের প্রত্যেকের ব্যয় অপেক্ষা আয় এত বেশি যে, আয় দ্বারা ব্যয় সমন্বয় হওয়ার পরও প্রত্যেকেরই কমবেশি রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে| তার পরও কারিগরি কমিটি তাদের প্রত্যেককে ০.২৫ টাকা হারে বিতরণ চার্জ প্রদানের প্রস্তাব করেছে| ক্যাবের প্রস্তাবে বিতরণ চার্জ ০.২৫ টাকা ধরা হয়েছে এবং তা রাজস্ব চাহিদাবহিভূর্ত| তথা উদ্বৃত্ত রাজস্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে| ২০২১-২২ অর্থবছরে ক্যাবের হিসাবে বিতরণে উদ্বৃত্ত রাজস্ব হবে ১,৬০৯.৬৬ কোটি টাকা| সব লাইসেন্সির উদ্বৃত্ত রাজস্ব সমন্বয়ে বিইআরসির অধীনে ‘এনার্জি প্রাইস স্ট্যাবিলিটি ফান্ড’ (জ্বালানি মূল্য স্হিতি তহবিল) গঠনের জন্য ক্যাব প্রস্তাব করেছে|
কারিগরি কমিটি তিতাসকে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে বিনিয়োগকৃত মূলধনের ওপর ১০ শতাংশ মুনাফা এবং শুধু তিতাসকেই ২ শতাংশ সিস্টেমলস সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেছে| অতীতেও তিতাসকে অনুরূপ অন্যায় ও অযৌক্তিক সুবিধা দেওয়ায় বিইআরসির নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়| সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিতাসের বিতরণ এলাকাসমূহে অবৈধ গ্যাস-সংযোগ চলছে| মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকদের কাছ থেকে মাসে ৭৭ ঘনমিটার গ্যাসের মূল্য নেওয়া হয়, দেওয়া হয় গড়ে ৪০ ঘনমিটারেরও কম| উদ্বৃত্ত গ্যাস একদিকে তছরুপ হয়, অন্যদিকে ভোক্তা প্রতারিত হয়| তাই তিতাসের বিরুদ্ধে বিইআরসি আইনের ৪৩ ও ৪৬ ধারামতে ব্যবস্হা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে|
গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) ও জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল (ইএসএফ)-এর অর্থ রাজস্ব চাহিদাবহিভূর্ত| তাই তা বাদে লাইসেন্সিদের রাজস্ব চাহিদা নির্ধারণ হবে| ক্যাবের প্রস্তাবে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়কৃত গ্যাসে প্রদত্ত ১৫ শতাংশ ভ্যাটে আমদানি পর্যায়ে এলএনজির ওপর প্রদত্ত ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে| পেট্রোবাংলা ও কারিগরি কমিটির প্রস্তাবে তা করা হয়নি|
(বাকি অংশ আগামীকাল)
লেখক: জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর উপদেষ্টা
