শনিবার, ২১ মে ২০২২, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

অর্থনীতির এই উতল হাওয়া

আপডেট : ০৯ মে ২০২২, ০২:৫৩

কোভিড সংক্রমণে আমাদের অর্থবছর ২০১৯-২০-এ সারা বিশ্ব ও বাংলাদেশের অর্থনীতি অপ্রত্যাশিত এক ঝুঁকিতে নিপতিত হয়। কোভিড সংক্রমণের প্রথম বছরে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ভারতসহ প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোতে দেশজ প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে লকডাউনের প্রভাবে জনচলাচল ও পণ্য চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হতে থাকে।

বাংলাদেশ কোভিড-পূর্ব অর্থবছরের ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও কোভিডের প্রথম বছরে তা নেমে আসে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে। ২০০৭-০৮-এর বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের প্রায় এক যুগ পরে বিশ্ব আচমকা বড় ধরনের সংকটে নিপতিত হয়। কোভিড সংক্রমণে দ্বিতীয় বছরে (২০২০-২১) প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। রপ্তানি ও প্রবাসী আয় ক্রমাগত বেড়েছে। একেবারে প্রথম দিকেই বাজেট সহায়তা লাভে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতির দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলে কোভিড সংক্রমণের তৃতীয় বর্ষে (২০২১-২২) বাংলাদেশ ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে এমন প্রত্যাশার অর্থনৈতিক ভিত্তি রয়েছে। অর্থবছর ২০২০-২১ ছিল অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথম বছর। অর্থবছর ২০১৯-২০-এ কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে অফিস-আদালত বন্ধ রাখতে হয়েছে ৬৬ দিন। বেসরকারি খাত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের অনেক অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছিল। মিটিং, কর্মশিবির, সেমিনার করা যাচ্ছিল না—এতত্?সত্ত্বেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২ থেকে জুন ২০২৫) যথাসময়ে প্রণীত হয় এবং বাস্তবায়ন শুরু হয়। তত্পূর্বে এই উতল সময়েই প্রণীত হয় (মার্চ ২০২০) বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বপ্ন দলিল রূপকল্প ২০৪১, যে দলিলে একটি সমৃদ্ধ দেশের পথচিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী এত বড় অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় আর ঘটেনি। জাতিসংঘের খাদ্যপণ্যের মূল্য ২০২০ থেকে মার্চ ২০২২ বৃদ্ধি পায় ৪১ শতাংশ, দুগ্ধজাতপণ্য ৪১ শতাংশ, ভোজ্য তেল ১০০ শতাংশ, চিনি ১১ শতাংশ। আর জ্বালানি তেল কোভিড-পূর্বকালীন (ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েল) প্রতি ব্যারেল ৪৫ ডলার থেকে ১২০ ডলারে উন্নীত হয়। আন্তর্জাতিক এই মূল্যবৃদ্ধি স্বল্প আয় ও উন্নয়নশীল দেশের জন্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় প্রায় বিপর্যয় বয়ে আনে। শ্রীলঙ্কা তো দেউলিয়া দেশের দ্বারপ্রান্েত পৌঁছেছে। ফেব্র‚য়ারি ২০২২ যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল গত তিন দশকের সর্বোচ্চ—৫ দশমিক ৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৬ দশমিক ২ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে মূ্ল্যস্ফীতি বিগত দশকে থেকেছে ১ শতাংশের কম অথবা ১ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। শ্রীলঙ্কার ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির মূলে কেবল কোভিডে প্রভাব নয়, আন্তর্জাতিক মূল্যস্ফীতি নয়, রয়েছে অর্থনীতিতে অবিবেচনাপ্রসূত কিছু পদক্ষেপ। আয়-ব্যয়ের যথাযথ সমীক্ষা না করে হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা, কর ছাড়ের হার দ্বিগুণ করে ফেলা, কৃষিতে জৈব কৃষির নামে রাসায়নিক সারের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ায় উৎপাদনের পরিমাণ অর্ধেকে নেমে আসে, ৫ শতাংশের ওপর সুদের হারে সভারেন বন্ডের মাধ্যমে বাইরের ঋণ ডলারে গ্রহণ, যেগুলোর ফেরত দেওয়ার সময় নেওয়া হয়েছে মাত্র ১০ বছর। সেই সঙ্গে কোভিডকালে পর্যটন খাতে ধস। সব মিলিয়ে আমদানি করার মতো তেমন কোনো বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় অবশিষ্ট নেই শ্রীলঙ্কার হাতে। বৈদেশিক রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার।

কোভিডের আড়াই বছরের তাণ্ডবের পর বিশ্ব যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, তখনই মার্চ ২২ থেকে চলমান রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে আবার ভয়াবহ ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। অর্থনীতির ভবিষ্যৎ এখন খুবই অনিশ্চিত। বিশ্বব্যাংক বলছে, এই যুদ্ধের প্রভাবে আগামী বছর খাদ্যে মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনা কম।

অর্থনীতির এই ঘূর্ণি হাওয়ায় বাংলাদেশের তথ্যনিষ্ঠ পরিস্থিতি বিবেচনা করা যেতে পারে। বাংলাদেশে এপ্রিল ২২-এ সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পর সর্বোচ্চ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ৪১.৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি অর্থবছর ২০২০-২১-এ বিগত কয়েক বছরে সর্বোচ্চ বেড়েছিল ৩৬ শতাংশ এবং প্রবাসী মোট আয় ছিল সর্বোচ্চ প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরেও প্রবাসী আয় ২৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে আশা করা যায়। গত বছর রপ্তানি আয় ছিল ৪০ বিলিয়ন ডলার। এ বছর মার্চ পর্যন্ত গত বছরের একই সময় থেকে রপ্তানি বেড়েছে ৩৩ শতাংশ এবং একই সঙ্গে আমদানি বৃদ্ধির হার ৪৭ শতাংশ। এ বছর অধিক আমদানি-রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বয়ংক্রিয়তার প্রমাণ। তবে আমদানির মূল্যবৃদ্ধি মোট আমদানি বৃদ্ধিকেও প্রভাবিত করেছে। যেহেতু অর্থবছর ২০১৬-১৭ থেকেই চলতি একাউন্টে ঘাটতি বেড়ে চলেছে, যা চলতি বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, তাতে বৈদেশিক রিজার্ভ কমে যাওয়ার চাপ থেকেই যাবে। রিজার্ভ কমবে কি না বা কতটা কমবে তা নির্ভর করবে আমাদের আমদানি-রপ্তানির ব্যবধান কতটা বড় হবে এবং সেই সঙ্গে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি কতটা হবে। রপ্তানি বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ঊর্ধ্বগতি অবস্থাকে আর নাজুক করে তুলবে না বলে প্রতীয়মান হয়। মোট রাজস্ব আয় গত অর্থবছরে ছিল দেশজ আয়ের ১০ দশমিক ৭ শতাংশ, যা পূর্বের তিন বছরের চেয়ে ছিল বেশি (যা ছিল দেশজ আয়ের ৮ শতাংশের ঘরে)। এ বছর এ পর্যন্ত মোট রাজস্ব আয় দেশজ আয়ের ১১ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা স্বস্তিদায়ক। আর্থিক বছর ২০১৯-২০২০-এর চেয়ে আর্থিক বছর ’২১ (২০২০-২০২১) ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ কমে গিয়েছিল, যদিও বর্তমান অর্থবছরে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ার প্রবণতা দৃশ্যমান, তবে প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে তা লক্ষণীয়ভাবে বাড়াতে হবে।

তবে এই কোভিডকালেও আমাদের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির ধারা থেমে ছিল না। নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ সূচকসমূহের সময়কাল সর্বশেষ এপ্রিল ২০২২-এ, ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে পরিবর্তন দেখা যাক : ক) মানব উন্নয়ন সূচক (ইউএনডিপি) বিবেচ্য দেশের সংখ্যা ১৮৯টি, বর্তমান র‌্যাংকিং ১৩৩, ছিল (ডিসেম্বর ২০১৯) ১৩৫ : উন্নতি হয়েছে; খ) গ্লোবাল হাঙ্গার সূচক (কনসার্ন, ওয়ার্লওয়াইড), বিবেচ্য দেশের সংখ্যা ১১৬টি, বর্তমান র‌্যাংকিং ৭৬, ছিল ৮২: উন্নতি হয়েছে; গ) গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি (আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন), বিবেচ্য দেশের সংখ্যা ১৮২টি, বর্তমান র‌্যাংকিং ৫৩, ছিল ৭৮তম। উন্নতি হয়েছে; ঘ) নেটওয়ার্ক রেডিনেস, বিবেচ্য দেশ ১৩০টি, বর্তমান র‌্যাংকিং ৯৫, ছিল ১১২। উন্নতি হয়েছে; ঙ) এসডিজি সূচক (ইউএন, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন নেটওয়ার্ক), বিবেচ্য দেশের সংখ্যা ১৬৫, বর্তমান র‌্যাংকিং ১০৯, ছিল ১১৬। উন্নতি হয়েছে; চ) করাপশন পারসেপসন ইনডেক্স (ট্রান্সপেরেন্সি ইন্টারন্যাশনাল), বিবেচ্য দেশের সংখ্যা ১৮০টি। বর্তমান র‌্যাংকিং ১৪৭, ছিল ১৪৯। উন্নতি হয়েছে।

কোভিডকালেও বাংলাদেশে এসব সূচক ইতিবাচক। আগামী ডিসেম্বর ২০২২-এর মধ্যে পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেল চালু হলে অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে, প্রবৃদ্ধি বাড়বে।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর পর্যালোচনায় যা দেখা যায়, অর্থনৈতিক আন্তর্জাতিক ঘূর্ণিচক্রে বাংলাদেশে মোটা দাগে ভালোভাবেই সামলাতে পেরেছে, যদিও মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জই এই মুহূর্তের বড় বিবেচ্য বিষয়। যদিও আগামী তিন বছর খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির অব্যাহত সম্ভাবনার কথা বলেছে এফএও। আমাদের কৃষি উৎপাদনব্যবস্থা কোভিডকালের তিনটি বছরই আমাদের স্বস্তিতে রেখেছে। তার পরও আমদানিকৃত বর্ধিত মূল্যের অনেক কৃষিপণ্যের জন্য খাদ্য ও পণ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি ঠেকিয়ে রাখা যায়নি। অকৃষিজ শিল্পজাত পণ্যেরও মূল্যস্ফীতি ঘটছে। রড, সিমেন্ট, সেনিটারি দ্রব্যাদির দাম ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আমাদের বাজেট জুন মাসে গৃহীত হতে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক বিবেচনায় অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের তাগাদার চেয়েও মূল্যস্ফীতিকে সামাল দেওয়াই সর্বোচ্চ প্রাধান্য থাকতে হবে আগামী অর্থবছরে। কোভিড ক্রান্িতকালে বিনিয়োগকে উজ্জীবিত রাখতে সরকার সর্বতো প্রয়াস চালিয়েছে। মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় বাজেট ঘাটতি বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৬ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শিল্পজাত ও টয়লেট্রিজ পণ্যসামগ্রী, আমদানিকৃত কৃষিসামগ্রীর বাজারব্যবস্থা দৃশ্যত প্রতিযোগিতামূলক নয়। এসব পণ্যসামগ্রী কী মূল্যে ক্রয় ও পরিবহনব্যবস্থার যথাযথ ব্যয় নিকেষের পর বাজারে কী দামে বিক্রি হচ্ছে—সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে সতর্ক পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে আইনগতভাবে ঠেকানোর প্রচেষ্টা থাকবে। দেশের অভ্যন্তরে কৃষিসহ সব পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগগুলো নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করতে হবে। সরকার কৃষি উৎপাদনব্যবস্থাকে ভতু‌র্কিসহ বিনা মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ফসলের বীজ সরবরাহ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাজারব্যবস্থা যাতে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি প্রক্রিয়ান্বিত পণ্য ও ভোগ্যপণ্যের মান নিশ্চিতকরণও গুরুত্বপূর্ণ। অধিক পণ্য আমদানির চাহিদা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডলারের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে, যে কারণে টাকার মূল্যমান কমার চাপ রয়েছে। টাকার মূল্যমান কমলে রপ্তানিকারকগণ সুবিধা পেলেও মূল্যস্ফীতিতে তা ইন্ধন জোগায়। সে কারণে টাকার মূল্য অবচয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। এখন অধিক বিদেশভ্রমণ (যা সীমিত রাখতে হবে), আসন্ন হজ মৌসুম, অধিক আমদানি চাহিদা ইত্যাদি কারণে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। অযৌক্তিকভাবে যেন ডলারের চাহিদা না বাড়ে, সেজন্য ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলারের কৃত্রিম চাহিদা বৃদ্ধি যাতে না হয়, সেটি পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থার কারণে দেশে এর বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে এই নীতি পদক্ষেপগুলো আজকে আরো বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের অর্থনীতি এখন একটা সংবেদনশীল সময় পার করছে। অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়, বিশেষভাবে সব উৎপাদন ও বিতরণ, পরিবহনব্যবস্থা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হয় এমন কোনো কার্যক্রম ও কর্মসূচি যে কোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে। গত ১৩ বছরের আর্থসামাজিক অগ্রগতির উচ্চধারা অব্যাহত ও স্থিতিশীল রাখাই হবে এই উথালপাথাল সময়ে সবচেয়ে কাম্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত।

লেখক: অর্থনীতিবিদ ও প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

ইত্তেফাক/কেকে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এমন মহিরুহ যুগে যুগে জন্মায় না

ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে তিনি বারবার ফিরে আসবেন

সাংবাদিকতার মহাকবির প্রস্থান

কে তার অভাব পূরণ করবে? 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

আবরণ সরাও, একাদশ ভাষাশহিদের ইতিহাস দেখো

আমের আঁটি বর্জ্য নয়, সম্পদ

আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর হয়ে এসেছিলেন তিনি

উলটা বুঝিলি রে!