ঈদে বিচ্ছিন্ন থাকছে কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ!

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৯, ২২:২৯

নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলী সংযোগ সড়ক পুনর্নির্মাণ কাজ। ফলে ঈদের ছুটিতে বিচ্ছিন্ন থাকছে কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ সড়কটি। চার মাস ধরে বিকল্প চলাচল হিসেবে সৈকতের বালিয়াড়ি ব্যবহার করা হলেও সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে পানি বাড়তে থাকায় এ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ঈদের সময় বৃষ্টি হলে পানি ক্রমে বাড়বে। এমনটি হলে এ সময়ে যান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে কলাতলী-মেরিন ড্রাইভের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের ধীরগতি, বারবার ডিজাইন পরিবর্তন ও নানা কারণে কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে সড়কে চলাচলরত সাধারণ মানুষ ও দেশি-বিদেশি পর্যটক। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের দাবি দ্রুতই সড়কটির পুনর্নির্মাণ কাজ শেষ হবে। পর্যটক ছাড়াও এ সড়কটি শহরের কলাতলী, দরিয়ানগর, রামুর হিমছড়ি, উখিয়ার সোনারপাড়া, ইনানী, মনখালী, টেকনাফের শামলাপুর, বাহারছড়াসহ লাখো উপকূলবাসী চলাচলের জন্য ব্যববহার করে।

জানা যায়, শহরের একাংশের হাজার হাজার মানুষ ও শত শত যানবাহন সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সৈকতে চলাচল করতে গিয়ে সামুদ্রিক জোয়ারে প্রতিদিন দুর্ঘটনাও ঘটছে। এ অজুহাতে অটোরিকশা ও ই-বাইকগুলো বাড়িয়ে দিয়েছে ভাড়া। যাতায়ত ভোগান্তিতে ইনানী-হিমছড়ির হোটেলগুলোতে যাচ্ছে না কোনো পর্যটক। ফলে এর প্রভাব পড়ছে পর্যটন শিল্পে। বিকল্প সড়ক হিসেবে এক কিলোমিটার সৈকতের ওপর দিয়ে যান চলাচল করছে। এতে সৈকতের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, পৌরসভা তিন মাসের মধ্যে পুনর্নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা বললেও এখনো এক তৃতীয়াংশ কাজও শেষ করতে পারেনি। সামনে বর্ষাকাল। সাগরে পানি বাড়লে সকাল-বিকাল যে গাড়ি চলত তাও বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে ঈদের আগে সংস্কার শেষ করতে না পারায় চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে গড়া ওঠা হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা। কক্সবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক সংস্কার কাজ প্রায় অর্ধেক শেষ হয়েছে। বাকি কাজ দ্রুতই শেষ হবে। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পৌরসভা এই কাজটি করছে। তারা কথা দিয়েছে কাজটি দ্রুত শেষ করবে।