মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে তিনি বারবার ফিরে আসবেন

আপডেট : ২০ মে ২০২২, ০৬:৩৬

প্রবীণ সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী মানুষের হৃদয়ের গভীরে অমলিন হয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রভাতফেরিতে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...’ এই কালজয়ী গান অনুরণিত হবে।

ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে বারবার তিনি ফিরে আসবেন পৃথিবীময় বাংলা ভাষাভাষিদের মধ্যে। এ কথা সত্য, তিনি একজন স্বনামধন্য বরেণ্য সাংবাদিক ছিলেন, ছিলেন বহুগুণে গুণান্বিত। ইত্তেফাক, ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ইত্তেফাক পরিবারের সঙ্গে তার ছিল একান্ত গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক। যত বার তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন, তত বারই ইত্তেফাক ভবনে এসেছেন। ইত্তেফাক ও ইত্তেফাক পরিবারের প্রতি প্রাণোত্সারিত গভীর ভালোবাসা অকপটে প্রকাশ করেছেন।

আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ফজলুল হক হলের জিএস ও ভিপি হিসেবে যতবার আমরা ছয় দফা আন্দোলনের পক্ষে আলোচনাসভার আয়োজন করেছি, ততবারই আবদুল গাফফার চৌধুরী আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। ছয় দফার পক্ষে তিনি কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের একনিষ্ঠ শুভাকাঙ্ক্ষী। 

১৯৭৪ সালে যখন তিনি সপরিবারে লন্ডনে যান, তখন ইত্তেফাকে একটি লেখা লেখেন, যার শিরোনাম ছিল: ‘ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু, পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু’। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসজীবন যাপন করলেও এই দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় যোগাযোগ। 

আজ আমরা একজন সৃজনশীল, প্রাজ্ঞ-বিজ্ঞ ও পুরোধা ব্যক্তিত্বকে হারালাম, যিনি তার লেখা ও গবেষণায় আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। আমি এই মহান দেশপ্রেমিক লেখকের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

শিক্ষকের গলায় জুতার মালা ও জুতার মাহাত্ম্য

একটু চোখ খুলে তাকালেই দেখতে পাবেন

সিলেটে বন্যা: ত্রাণবিতরণে সমন্বয় জরুরি

ছেলের কাছে চিঠি ও বাক্‌স্বাধীনতা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পদ্মা সেতু: শেখ হাসিনার সক্ষমতার স্মারক

আমরা পারি-আমরাই পারি

পদ্মা সেতুর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

পদ্মা সেতু ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী