বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইমামুল কবীর শান্ত’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২০-এর ৩০ মে, রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন এবং বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার নাখালপাড়ায় একটি মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
দিবটি উপলক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সুপেয় পানি ও উন্নত টয়লেটের ব্যবস্থা, প্রতিবন্ধীদের সাহায্য, আর্থিক অনুদান ও দুস্থদের মাঝে দেশব্যাপী খাবার বিতরণসহ শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভস (প্রা. লি.) ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফাউন্ডেশন মরহুমের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, কোরআন খতম, দোয়া ও আলোচনা সভা এবং রক্তদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইমামুল কবীর শান্ত ব্যক্তি জীবনে একজন সফল উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ছিলেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর এই দেশের মানুষের কর্মমুখী শিক্ষার নিশ্চয়তা তথা কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনসহ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রা. লি.), শান্ত-মারিয়াম একাডেমি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম ইন্সটিটিউট অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম স্কুল অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম ফ্যাশনস্ লি., দৈনিক আজকের প্রত্যাশা ও শান্তনিবাস নামক শিশু ও বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ সমাজসেবা ও শিক্ষান্নোয়নমূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
প্রয়াত মোহাম্মদ ইমামুল কবীর শান্ত’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় সকলের প্রতি দোয়া প্রার্থনা করেন।
