বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে পাঁচজনের মৃত্যু

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৯, ২১:০১

ইত্তেফাক ডেস্ক

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে দুই সহোদরসহ বিভিন্নস্থানে পানিতে ডুবে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বৃহস্পতিবার পানিতে ডুবে দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলো—তাতীম (৬) ও  শামীম (৪)। ঘটনার দিন বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে তারা ডোবায় পড়ে যায়। পরে ডোবা থেকে তাদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তারা উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের দিনমজুর মো. আলম মিয়ার ছেলে।

টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা এবং মাকড়কোল গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকালে নদীতে গোসল করতে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো: জাহিদুল ইসলাম (১২) এবং আল-আমিন (১৩)। টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ফায়ারম্যান মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, জাহিদুল ইসলাম বরুহা গ্রামের ধলেশ্বরী শাখা নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায় সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আধঘণ্টা চেষ্টার পর জাহিদুলকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। অপরদিকে মাকড়কোল গ্রামে এক কিশোর যমুনা নদীতে গোসল  করতে গিয়ে পানিতে ডুবে  যায়। কিছুক্ষণ পর ওই কিশোরের লাশ ভেসে ওঠে। 

চাটমোহর (পাবনা):চাটমোহরে নানাবাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার গুমানী নদীর পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম শাহনাজ খাতুন (১০)। সে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি গ্রামের সাজাদুল ইসলামের মেয়ে। শাহনাজ তার মায়ের সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে নানাবাড়ি উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের চিনাভাতকুর গ্রামে যায়। ঈদের পরদিন সবার অগোচরে বাড়ির পাশের গুমানী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। 

বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কিশোর খুন

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

বগুড়ায় ছাগলে ভাত খাওয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার এক কিশোর খুন হয়েছে। নিহতের নাম আল আমিন (১৮)। সে বগুড়া সদরের কুটুরবাড়ি গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বাদশা মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী ইয়াকুব আলীর পারিবারিক বিরোধ চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। এরই মধ্যে ৪ জুন ইয়াকুবের একটি ছাগল বাদশা মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে রান্নাঘরে রাখা ভাত খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে গত দুদিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। ওইদিন আবারো উভয় পরিবারের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় ইয়াকুবের লোকজন ফালা দিয়ে বাদশার ছেলে আল আমিনের পেটে আঘাত করে। তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন এ ব্যাপারে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।