দেশে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার নারী ও শিশু 

আপডেট : ০১ জুন ২০২২, ০৯:০৯

দেশে পুরুষদের চেয়ে নারীরা ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য বেশি ব্যবহার করছে। শুধু তাই নয়, তরুণী ও পুরুষদের মধ্যে ধূমপানের হার বাড়ছে, যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি বাস-লঞ্চ-ট্রেনের মতো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, বাসাবাড়ি ও রেস্টুরেন্ট; সবখানে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে নারী ও শিশুরা। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণের আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শপথ নিয়েছেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ধূমপানের মধ্যে কোনো ভালো কিছু নেই। এটা খুবই কষ্টদায়ক একটা ব্যাপার। তাই তোমরা কখনো ধূমপান করবে না, অন্য কোনো তামাকপণ্যও ব্যবহার করবে না।

তামাকমুক্ত বাংলাদেশ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। এর মধ্য দিয়েই তামাকমুক্ত বাংলাদেশ করা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাতের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের প্রতিনিধি, বর্ধন জাং রানা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শারিতা মিল্লাত। 

ইত্তেফাক/কেকে