সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের কালীনগর, কদমতলা ও গাবা গ্রামের বাসিন্দারা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় চার কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ পাউবোর বেড়িবাঁধ সংস্কার করেছে।
জানা যায়, ২০০৯ সালে ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলায় বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীর পানি ঢুকে শ্যামনগর জনপদ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আম্ফান, বুলবুল ও ইয়াসের তাণ্ডব ও জলোচ্ছ্বাসে পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙে ও বেড়িবাঁধ উপচে পড়া পানিতে মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে নদীর লবণপানি ঢুকে চিংড়ি মাছের ঘের, মিষ্টি পানির পুকুর এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
প্রভাষক কিষোর মণ্ডল, সুবোধ মণ্ডল, ভবসিন্ধ মণ্ডল, মৎস্যজীবী সবিতারানী জানান, তিন গ্রামে প্রায় ৮০০ পরিবার বেড়িবাঁধের পাশে বসবাস করে। পাউবোর র্কমর্কতারা বিভিন্ন সময় মাপজোখ করলেও বাঁধের সংস্কার করা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ সংস্কার করেছে।
মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা বলেন, তিন গ্রামের লোকজন নিজেরাই বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করেছেন।
শ্যামনগরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ রানা বলেন, প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ না পাওয়ায় আমরা কাজ করতে পারিনি।
