দাম কমলো রসুনের, স্বস্তিতে ক্রেতারা

আপডেট : ০৭ জুন ২০২২, ১২:৫৭

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরশহরের কাঁচাবাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি রসুনের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে যে রসুন কেজিপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেই রসুন এখন ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রসুনের দাম খুচরা বাজারে কমে আসায় ক্রেতা সাধারণের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ফুলবাড়ী পৌরশহরের সবজির খুচরা ও পাইকারি বাজারের ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

স্থানীয় পাইকারি পেঁয়াজ-রসুনের ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারত থেকে রসুন আমদানি হওয়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম কমেছে।

ফুলবাড়ী পৌরশহরের খুচরা কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা মোস্তাক আহমদ বলেন, চার, পেঁয়াজ, আদা, ডিম, কাঁচা ও শুকনো মরিচসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। এরমধ্যে রসুনের দাম কমেছে, এটি একটি ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর। তবে রমজান মাসে রসুনের দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি’র মধ্যে। এখন সেই রসুন কখনও ৮০ টাকা আবার কখনো ৯০ টাকা এখন আবার কমে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে এটিও কিছুটা হলেও স্বস্তির বিষয় ক্রেতাদের জন্য। 

পৌর বাজারের খুচরা সবজি ব্যবসায়ী সুব্রত সরকার ও সামসুল ইসলাম বলেন, হিলি থেকে ভারতীয় আমদানিকৃত রসুন পাইকারদের ঘরে আসার কারণে রসুনের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে। তবে ক্রেতা মিলছে না। আগে দিনে অন্তত ২ বস্তা রসুন বিক্রি হয়ে যেতো এখন ১ বস্তাও বিক্রি হচ্ছে না। তবে ভারতীয় আমদানিকৃত রসুন আসতে শুরু করলে রসুনের দাম আরও কমে আসবে।

স্থানীয় পেঁয়াজ-রসুনের পাইকারি ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন ও কালুকান্ত দত্ত বলেন, ভারতীয় রসুন বাজারে না থাকলে দেশি রসুনের ওপর চাপ বাড়ায়, দাম বেড়ে যায়। তবে ভারতীয় রসুন আমদানি স্বাভাবিক থাকলে রসুনের দাম ৩০ টাকা কেজিতে নেমে আসবে। এর পাশাপাশি দেশি রসুনের দামও অনেক কমে আসবে।

ইত্তেফাক/এআই