চিলির আনা অভিযোগের তদন্ত শেষে ইকুয়েডরের পক্ষেই রায় দিলো ফিফা। ফলে কাতার বিশ্বকাপে খেলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না ইকুয়েডর। গ্রুপ ‘এ’ তে স্বাগতিক কাতার, সেনেগাল ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলবে তারা। মূলত চিলির অভিযোগ ছিল, জন্মসনদ জালিয়াতি করে ইকুয়েডরের হয়ে লাতিন আমেরিকা বাছাইপর্বের আটটি ম্যাচ খেলেন বাইরন কাস্তিলো।
চিলির দাবি, ইকুয়েডর নয় কলম্বিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এই ডিফেন্ডার। তাই এক মাস আগে ফিফার কাছে অভিযোগ করে চিলি ফুটবল ফেডারেশন। কিন্তু কাজে আসেনি তা, যদিও আপিল করার সুযোগ থাকছে তাদের। ফিফার রায় নিজেদের পক্ষে থাকায় এক প্রকার উৎসবই করে ইকুয়েডর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
সংস্থাটির সভাপতি ফ্রান্সিসকো এগাস বলেন, ‘আমরা উদ্যাপন করেছি কারণ চিলি ফেডারেশনে এই অসাধারণ মিডিয়া প্রচারের দ্বারা আমরা অপমানিত বোধ করেছি, অবজ্ঞার স্বীকার হয়েছি। অবশেষে ন্যায়বিচার হয়েছে।’ চিলি ফুটবল ফেডারেশন অবশ্য বসে থাকছে না। আপিল তো করবেই, দরকার হলে এর জন্য ক্রীড়া আদালতে পর্যন্ত যাবে।
প্রেসিডেন্ট পাবলো মিলাদ তাই প্রতিক্রিয়াটা দিলেন ফুটবলের ভাষায়, ‘আমরা ১-০ তে হেরেছি তবে এখনো দ্বিতীয়ার্ধ বাকি আছে। শক্ত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আশ্চর্যজনকভাবে ফিফার রায় আমাদের পক্ষে আসেনি। আমরা আপিল করব।’ ফিফার রায় পক্ষে আসলে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ থাকত চিলির। কেননা কাস্তিলোর খেলা ৮ ম্যাচে ইকুয়েডরের পাওয়া ১৫ পয়েন্ট কেটে নিত ফিফা। এই আট ম্যাচের দুই ম্যাচ ছিল চিলির বিপক্ষে। ফলে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট পেয়ে টেবিলের সাত থেকে চারে উঠে যেত চিলি। কিন্তু তাদের চেষ্টা আপাতত ব্যর্থই হলো।
