হঠাৎ করেই যেন বদলে গেছে ক্রিজ। মাশরাফিদের বোলিংকে যেখনে পাত্তাই দেয়নি ইংল্যান্ড, সেখানে উল্টোরথে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই খুব ধীরগতিতে ব্যাটিং শুরু করেছেন তারা। এর মধ্যে সৌম্য সরকারের আউট হওয়াটা তাদের উপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। সেই চাপ কাটানোর জন্য ধীরগতিতেই এগুচ্ছেন অপর ওপেনার তামিম ইকবাল। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ এক উইকেটে ৪৮ রান।
কার্ডিফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শনিবার বিকেলে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড করেছে ছয় উইকেটে ৩৮৬ রান। জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্ট জুটি ১২৮ রানের দারুণ একটা ওপেনিং জুটি গড়েন। এরপর মাশরাফির বলে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বেয়ারস্ট। আউট হওয়ার আগে ৬৫ বল থেকে ১০টি চার ও একটি ছক্কার মারে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এরপর রুটকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটান সাইফুদ্দিন। দলীয় ২০৫ রানে ব্যক্তিগত ২১ রানে ফিরেন জো রুট। তবে জেসন রয়কে ব্যক্তিগত নবম সেঞ্চুরি করা থেকে বিরত থাকতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত দলীয় ২৩৫ রানে আউট হন রয়। এর আগেই ১২১ বল থেকে ১৪টি চার ও পাঁচটি ছক্কার মারে ১৫৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। সেই সুবাদে ইংল্যান্ডকে বড় স্কোরের ভিত্তি নির্মাণ করে দেন এই ইংলিশ ওপেনার। পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে জস বাটলার ৬৪ ও ইয়ন মরগান ৩৫ রান করেন। ৯ বল থেকে ২৭ রান নিয়ে প্লাঙ্কেট ও ৮ বল থেকে ১৮ রান নিয়ে ক্রিস ওয়েকস অপরাজিত থাকেন।
প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় এবং দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অল্প ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। অপরদিকে ইংল্যান্ড নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা পাকিস্তানের কাছে ১৪ রানে হেরেছে। তৃতীয় ম্যাচটি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’দলের কাছেই।
ইত্তেফাক/কেআই
