সাকিবের টানা তৃতীয় হাফসেঞ্চুরিতে লড়াইয়ের চেষ্টায় বাংলাদেশ

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৯, ২১:২১

বিশ্বকাপে প্রথম তিন ম্যাচেই হাফসেঞ্চুরি পেলেন সাকিব আল হাসান। প্রথম দুই ম্যাচে সাকিব করেন যথাক্রমে ৭৫ ও ৬৪ রান। সেই ধারায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও হাসসেঞ্চুরি করলেন তিনি। ৩৮৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে দলীয় ৮ রানে সৌম্য সরকার বিদায় নেন। এরপরই তামিমের সঙ্গী হন সাকিব। দলীয় ৬৩ রানে তামিমও (১৯) ফিরে যান সাজঘরে। পরে সাকিবের সঙ্গী হন মুশফিক। এই দুজন তৃতীয় উইকেটে এখন ব্যাট করছেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৩ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দুই উইকেটে ১২৭ রান। 

কার্ডিফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শনিবার বিকেলে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড করেছে ছয় উইকেটে ৩৮৬ রান। জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্ট জুটি ১২৮ রানের দারুণ একটা ওপেনিং জুটি গড়েন। এরপর মাশরাফির বলে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বেয়ারস্ট। আউট হওয়ার আগে ৬৫ বল থেকে ১০টি চার ও একটি ছক্কার মারে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। 

এরপর রুটকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটান সাইফুদ্দিন। দলীয় ২০৫ রানে ব্যক্তিগত ২১ রানে ফিরেন জো রুট। তবে জেসন রয়কে ব্যক্তিগত নবম সেঞ্চুরি করা থেকে বিরত থাকতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত দলীয় ২৩৫ রানে আউট হন রয়। এর আগেই ১২১ বল থেকে ১৪টি চার ও পাঁচটি ছক্কার মারে ১৫৩ রানের ‍দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। সেই সুবাদে ইংল্যান্ডকে বড় স্কোরের ভিত্তি নির্মাণ করে দেন এই ইংলিশ ওপেনার। 

পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে জস বাটলার ৬৪ ও ইয়ন মরগান ৩৫ রান করেন। ৯ বল থেকে ২৭ রান নিয়ে প্লাঙ্কেট ও ৮ বল থেকে ১৮ রান নিয়ে ক্রিস ওয়েকস অপরাজিত থাকেন।

প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় এবং দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অল্প ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। অপরদিকে ইংল্যান্ড নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা পাকিস্তানের কাছে ১৪ রানে হেরেছে। তৃতীয় ম্যাচটি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’দলের কাছেই।

ইত্তেফাক/কেআই