শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সিরাজগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি ও জ্বালানি সংকটে বানভাসিরা

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ১৫:৪৩

যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বুধবার (২২ জুন) সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার পুঠিয়াবাড়ি, চরমালশাপাড়া, কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের চররামগাঁতী, পাইকপাড়া, মোড়গ্রাম, সয়দাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব মোহনপুর, পূর্ব বাঐতারাসহ বাঁধ অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর বন্যা কবলিত হয়ে পরেছে। প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এসব অঞ্চলে এখন দেখা দিয়েছে পানীয় জল ও তীব্র জ্বালানি সংকট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার হাজার হাজার মানুষ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাছাড়াও কাজিপুর পয়েন্টে যমুনার পানি স্থিতিশীল রয়েছে বলে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। 

সরজমিনে দেখা যায়, জেলার অভ্যন্তরীণ করোতোয়া, ফুলজোড়, ইছামতি, বড়ালসহ বিভিন্ন নদ-নদী খাল-বিলের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনা নদীর পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চল ডুবে গেছে। এতে তিল, কাউন,বাদাম, পাট ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে।
 
জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান জানান, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, চৌহালি, শাহজাদপুর, বেলকুচি উপজেলায় বানভাসি মানুষের মাঝে চাল, নগদ অর্থ শুকনা খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। এখনও ৭৭১ মেট্রিক টন চাউল ১৩ লক্ষ ৮ হাজার ৫ শত টাকা বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য মজুদ আছে। এ সকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য বন্যায় স্ব-স্ব এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, ১০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১ হাজার বান্ডিল ঢেউ টিনের চাহিদা জানিয়ে মন্ত্রণালয়কে অভিহিত করা হয়েছে।  

 

ইত্তেফাক/এসজেড