নাগেশ্বরীর মানুষ বেলা শেষেই চাঁদ দেখেছিল

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৯, ২২:৫৩

যথারীতি ঈদের আগের দিন বেলা শেষে শাওয়ালের চাঁদ দেখেছিলেন নাগেশ্বরীর মানুষ। তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের। আনন্দে অনেক জায়গায় পটকা ফুটিয়ে উল্লাস করেছিলেন তারা। কিন্তু রাত ৯টায় সরকারি ঘোষণা আসে দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় বুধবারের পরিবর্তে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। এতেই বিভ্রান্তিতে পড়েন তারা।

এ ঘোষণায় অনেকেই তারাবির নামাজ আদায় করেন। উপজেলার রামখানা, রায়গঞ্জ, কচাকাটাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা নিজে চাঁদ দেখেছিলেন তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি এ সিদ্ধান্ত। তারা রাত সাড়ে নয়টায়  বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান তাত্ক্ষণিক রামখানা দীঘির পাড়ে গিয়ে কথা বলেন তাদের সঙ্গে। এ সময় রামখানা দীঘির পাড়ের মাওলানা আইনুল হক, স্কুলশিক্ষক আমিনুল ইসলাম, মোক্তার হোসেন, আব্দুল মোন্নাফ, আলমগীরসহ অনেকেই জানান তারা যথাসময়ে শাওয়ালের চাঁদ দেখেছেন। ঠিক একই রকম কথা বলেন কচাকাটার আব্দুর রহিম, আব্দুল মালেক, নজরুল ইসলাম, আমেনা বেগম, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের সেকেন্দার আলী মিয়া, আব্দুল খালেক, নুর ইসলামসহ অনেকেই। এরকম আরো তথ্য আসতে থাকে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে।       উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান জানান, যারা স্বচক্ষে চাঁদ দেখেছিলেন তাদের সঙ্গে কথা বলে তাত্ক্ষণিক বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, ‘রাত নয়টায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা আসার পরেই উপজেলা চেয়ারম্যানসহ অনেকেই জানান তারা স্বচক্ষে শাওয়ালের চাঁদ দেখেছেন। বিষয়টি আমি তাত্ক্ষণিক জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানাই। তখন তিনি আমাদের কাছে লিখিতভাবে জানতে চাইলে আমরা তা লিখিতভাবে জানাই। জেলা প্রশাসক বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব স্যারকে অবহিত করেন’।