রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা-বেরুলী বাজার এলাকায় এলজিইডির আওতাধীন প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক বেহাল হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকে হাঁটুপানি। আর পুরো রাস্তায় ছোট-বড় খনাখন্দে চরম দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসীসহ চলাচলরত যানবাহনের চালকরা।
সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বেরুলী বাজারের আহম্মদ ডাক্তারের দোকানের সামনে প্রায় ২৫ ফুট রাস্তায় ভেঙে উঠে গেছে বিটুমিন ও ইটের খোয়া। বিভিন্ন গর্তে জমছে পানি। কাদাপানির মধ্য দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহন। ঘোড়ামারা সদাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বেরুলী চৌরাস্তা পর্যন্ত বিটুমিন ও ইটের খোয়া উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় পৌনে ৩ কিলোমিটার সড়কের পুরোটাই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বেরুলী বাজারে মেসার্স খান ইলেকট্রনিকের পরিচালক ফিরোজ খান বলেন, কয়েক বছর ধরে এই সড়কে বিটুমিন ও ইটের খোয়া উঠে গেছে। সামান্য বৃষ্টি নামলেই চৌরাস্তা ও বেরুলী বাজারের মধ্যে আমার দোকানের সামনে হাঁটুপানি জমে যায়। এতে করে হরহামেশাই মোটরসাইকেল, ভ্যান উলটে অনেকেই গুরুতর আহত হচ্ছেন।
ওষুধ ব্যবসায়ী মো. মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক বেহালের কারণে নবাবপুর ইউনিয়নের গর্ভবতী মা-বোনেরা ও ইউনিয়নবাসী স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সড়কটির দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সড়কে চলাচলরত ভ্যানচালক মিরাজ শেখ, অটোরিকশাচালক সিভান মোল্লা বলেন, মাঝেমধ্যে ভ্যান, অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল উলটে অনেকেই আহত হন। গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে যায়। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা গরিব মানুষ। দ্রুত এ সড়কটির মেরামত করা প্রয়োজন।
নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বাদশা আলমগীর বলেন, ঘোড়ামারা-বেরুলী বাজার সড়কটি বেহাল হওয়ার কারণে নবাবপুর ইউনিয়নবাসী যাতাযাতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃর্পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. আলমগীর বাদশা বলেন, এলজিইডির আওতাধীন এই সড়কটি মেরামত কর্মসূচিতে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থবছরে বাজেট আসলে ঐ সড়কের মেরামত কাজ শুরু করা হবে।
