মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

আত্মনির্ভরশীলতার শ্রেষ্ঠ প্রতীক পদ্মা সেতু: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার একক রূপকার

আপডেট : ২৮ জুন ২০২২, ২৩:১৭

পদ্মা সেতু এমন এক কীর্তি যার মধ্যে চিরঞ্জীব দেশবরেণ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বহু রাজনৈতিক, কারিগরি ও আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মা সেতু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাঙালিদের দাবায়ে না রাখার প্রতীক। এটি আমাদের সক্ষমতার এক অনন্য উদাহরণ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মমর্যাদার এক মাইলফলক। পদ্মা সেতু বঙ্গবন্ধুর বীরকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের বিজয়গাঁথা। পদ্মা সেতু নির্মাণে একক কৃতিত্বের দাবিদার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। কুচক্রী মহলের সকল ষড়যন্ত্র গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। প্রধানমন্ত্রীর শুধু একটি সিদ্ধান্ত ও তার সঠিক বাস্তবায়ন দেশকে উন্নতি ও অগ্রগতির পথে নিয়ে গেছে অনেক দূর। পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর উপর যান চলাচল শুরু হয়েছে। এটি শুধু একটি সেতুই নয়, আমাদের গৌরব, মর্যাদা আর অহংকারের প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ‘স্বাধীনতা’ আমাদের প্রথম অর্জন আর বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী একক সিদ্ধান্তে নির্মিত ‘পদ্মা সেতু’ আমাদের দ্বিতীয় অর্জন।

সম্প্রতি পদ্মা সেতু নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ষড়যন্ত্র ও দেশবিরোধী কর্মকান্ড জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাতে যারা বাধার সৃষ্টি করে, তাদের প্রতি এই ধরনের ক্ষোভ একজন রাষ্ট্রনায়কের থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। একজন গুণধর ব্যক্তি যত উঁচুমানের ব্যক্তিত্বই হোন না কেন, তিনি যদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্র করেন, তবে তার সব অর্জনই ম্লান হয়ে যায়। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ড.ইউনূস মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন সকল রকম আইনি নিয়মকানুনকে উপেক্ষা করে। বাংলাদেশ কোনো রাজনৈতিক বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আইনে চলে না। ফলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পরেও একটি নির্দিষ্ট নিয়মে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হওয়ার সকল পথ বন্ধ হয়ে যায়। পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ^ ব্যাংকের মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও কল্পিত অভিযোগের কাছে মাথা নত করেনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যাতে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে না পারে, সেজন্য ড. ইউনূসসহ কিছু জ্ঞানপাপী, দুষ্কৃতকারী, রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ যুক্তরাষ্ট্রের লবিস্ট ফার্মের মাধ্যম দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৫ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া যেতো, কিন্তু ড. ইউনূসের ষড়যন্ত্রের কারণে বিশ্ব ব্যাংক ও তার মিত্ররা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণে ১২০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি বাতিল করে। পাশাপাশি জাইকা, এডিবিসহ দাতা সংস্থাগুলো সরে দাঁড়ালেও বঙ্গবন্ধুর বীরকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দমে যাননি। 
নানান ষড়যন্ত্র ও চাপ উপেক্ষা করে ২০১২ সালে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপ ও তার সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশকে অনেক মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অন্যান্য কারণ থাকলেও মূলত ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য সেতু নির্মাণের সময় অতিরিক্ত ৮ বছর বেড়ে যায়। পদ্মা সেতু থেকে প্রথম বছরে আয় ধরা হয়েছে ৪৬৮ কোটি টাকা। এ হিসাবে আট বছরে সর্বমোট ৩৭৪৪ কোটি টাকা গচ্চা গেছে পদ্মা সেতু দেরিতে শুরু হওয়ার কারণে। দেশের জনগণ ও ভুক্তভোগীদের অনেকেই মনে করেন, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য দায়ভার ড. ইউনূসকে এককভাবে নিতে হবে। ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়ে বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি যে মাইক্রোক্রেডিট বা ক্ষুদ্র ব্যবসার ধারণা দেন, তা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে কোনো এক সময় আফগান কাবুলিওয়ালারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তথা কৃষকদের এই ধরনের ব্যবসায় সহযোগিতা বা সুদে অর্থ খাটানোর ব্যবসা করতেন। আবহমানকাল থেকে বাংলার মাটিতে এই ব্যবসা চলে আসছে। জগৎশেঠরা বাংলার মাটিতে সুদের ব্যবসা করতেন এবং অধিকতর সুদ বা লাভের ব্যবসাকে সম্প্রসারণের  জন্য তিনি বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বেঈমানি করে ইংরেজের সাথে হাত মেলান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের স্বার্থ বিক্রি করে, বিশেষ করে পদ্মা সেতু নির্মাণে নানারকম ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা চালিয়ে, বা বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভুল বুঝিয়ে তিনি বাংলার মাটির সাথে, বিশেষ করে জনগণের সাথে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে বেঈমানি করেছেন। বাংলাদেশে পদ্মা সেতু উদীয়মান সূর্যের মতো যতদিন অক্ষত থাকবে, ততদিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাতির সাথে বেঈমানির ইতিহাস জগৎশেঠ আর মীরজাফরের মতো বাংলার মাটির আনাচে-কানাচে বেঈমানির লোকগাথা হিসাবে বহমান থাকবে।

পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রধান বিরোধী দল এবং যারা পদ্মা সেতুর বিনির্মাণে উন্নয়নকে সামনে না রেখে বা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নকে উপেক্ষা করতে চায়, তারাই পদ্মা সেতু নির্মাণে নানা রকম মিথ্যাচার বাজারে ছড়িয়ে দেয়। যদিও এসব ব্যাপারে বেশিরভাগ প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া এসব চক্রান্তকারী, ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে নীরব ভূমিকা পালন করে বলে দেশপ্রেমিক সাধারণ জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র তথা এনসি লাভালিনের প্রতি যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল তা সংগত কারণে ক্যানাডিয়ান সরকার তুলে নেয় অর্থাৎ পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো ঘুষ বা দুর্নীতির লেনদেনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান জড়িত নয়- এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে এমন ধরনের বায়বীয় অভিযোগ প্রত্যাখ্যান হয়ে গেলেও যারা সামাজিক হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাদের নীরব ভূমিকা, বিশেষ করে এসব বিষয়ে প্রতিকার চাওয়ার ব্যাপারে নীরব থাকাটা রহস্যময়। পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা জরুরি। যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, সততার পরাকাষ্ঠে উত্তীর্ণ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সচিব ড. মোশররফ হোসেন -এর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট অপবাদ সর্বোপরি সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে- তাদের কিছুতেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।  

প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও পদ্মা সেতু নিয়ে কম রসিকতার আশ্রয় নেয়নি, এটি তাদের রাজনৈতিক ইচ্ছার প্রতিফলন হলেও পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের পরে তাদের সুর পাল্টে যায়। বাংলাদেশের জনগণ বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারার প্রতি অবিচল আস্থা এবং তার বাস্তব প্রমাণ পাওয়ায় বর্তমান সরকারের  জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলকে উন্নত সেবা দিতে গেলে পদ্মা সেতু নির্মাণের কোনো বিকল্প ছিল না। তাছাড়া রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে পদ্মা সেতু অর্থনৈতিক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে দক্ষিণ এশিয়ায় মাইলফলক হিসাবে দাঁড়িয়ে গেছে। ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পদ্মা সেতু উত্তর-পূর্ব ভারত, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের দিগন্ত উন্মোচন করবে -এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে পদ্মা সেতু। সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্মা সেতুর জন্য ১ দশমিক ২৩ শতাংশ হারে মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাড়বে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। পদ্মা সেতুর প্রাথমিক প্রভাব পড়বে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিখাতে আরও দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসবে ভারী শিল্পখাতে। মংলা ও পায়রা বন্দর সচল হবে। সাড়ে সাত লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এশিয়ান ডেভেলপ্মেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ২০২৩ সালে বাংলাদেশের মোট জাতীয় আয়ের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করেছে ৭.১ ভাগ। এর মধ্যে পদ্মা সেতু চালু হলে ২০২৩ সালে ১.৫ ভাগ জাতীয় আয় সংযুক্ত হবে। তাছাড়া দুর্নীতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স দেখানোর ফলে আরো এক ভাগ প্রবৃদ্ধি বাড়বে। এই হিসেবে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি গিয়ে দাঁড়াবে কম-বেশি ৮.৫ ভাগ যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ বলে আশা করা যায়।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিচারে বাংলাদেশ আগামীতে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারে। বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি এবং রাজনৈতিক পরিচ্ছন্নতা তথা পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণে ইতোমধ্যে সমর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এত আকাশছোঁয়া উন্নয়ন ও গতিশীল নেতৃত্ব অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখছে বিশ্ববাসী। তাই আগামী দিনের জাতির নেতৃত্ব এবং বর্তমান উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে গেলে, ১৯৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যে উন্নত দেশ হবার স্বপ্ন, তা বাস্তবায়ন করতে হলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ বাংলাদেশে আছে বলে আমি মনে করি না। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নেতৃত্বে শেখ হাসিনার বিকল্প একমাত্র শেখ হাসিনাই। বীরকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বিশ্বের ইতিহাসে বহুল পরীক্ষিত সুশাসক ও সুসেবকের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। 

লেখক: ফিকামলি তত্ত্বের জনক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, প্রেসিডেন্ট- ওয়ার্ল্ড ফুটবলার্স ফোরাম ( WFFB) , সভাপতি- শহিদ সেলিম-দেলোয়ার স্মৃতি পরিষদ।

ইত্তেফাক/ইআ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বঙ্গমাতা: তৃতীয় বিশ্বের এলিনর রুজেভেল্ট হলেও তাঁর অবদান আরও ব্যাপক 

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নার্সরাই হলো সামনের সারির যোদ্ধা: স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব 

বঙ্গমাতার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় পুনাকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নতুন দুটি টায়ার আনলো অ্যাপোলো টায়ারস

মেয়েদের বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শেখার সুযোগ দিচ্ছে এসআর ড্রিম আইটি

মোটরসাইকেলের জ্বালানি সাশ্রয়ের ১০টি কৌশল 

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাস আগস্ট