রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে 'Language Documentation Focusing on the Internal Structures of Languages' শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় ইন্সটিটিউটের সম্মেলন কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাষার অভ্যন্তরীণ কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তা সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা প্রসঙ্গে ৬টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আলোচকরা।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. হাকিম আরিফের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও প্রশিক্ষণ) মাহবুবা আক্তার।
সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইমেরিটাস অধ্যাপক ডেভিড ব্র্যাডলি। তার প্রবন্ধের শিরোনাম ছিলো— 'Why Language Documentation is Essential for Education and Community Development.' এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ড. ডেভিড প্যাটারসন 'The crucial role of naturalistic texts in language documentation and description: Some lessons from work with languages of the Chittagong Hill Tracts' প্রসঙ্গে প্রথম প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য্য। দ্বিতীয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের ড. মুহাম্মদ জাকারিয়া রেহমান, তিনি 'Relative-correlative Clauses in Hyow (Khyang): Evidence of Contact-induced Changes' নিয়ে আলোচনা করেন।
তৃতীয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশের গবেষক মো. মোস্তফা রাসেল। তার প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল 'Copula Structures of Tripura Language Variety: Usoi.' দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রবন্ধের আলোচক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ নওশাদ কবির।
চতুর্থ প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন ঘানার ড. এস্টার-মানু-বারফো। তার প্রবন্ধের শিরোনাম ছিলো 'An Overview of the Structure of the Dompo Language of Ghana.' পঞ্চম প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্মানির ড. নেত্র পি. পাদ্যুল। তিনি 'Distribution of Classifiers and ‘Measure Words’ in Khortha' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
চতুর্থ ও পঞ্চম প্রবন্ধের বিষয়ে আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. সায়িদুর রহমান।
আলোকবৃন্দ বলেন, ভাষা কেবল মৌখিক বিষয় নয়, এর লিখিত রূপের গুরুত্ব অপরিসীম। লিখিত রূপ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ভাষা-কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর সাতটি মহাদেশের মধ্যে পাঁচটি মহাদেশ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপক ও আলোচকগণ এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। এর ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আয়োজকরা।
