বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ ও একটি অনন্য উদ্যোগ

আপডেট : ৩০ জুন ২০২২, ১০:০২

মুক্তিযোদ্ধারা হলেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। বাঙালি শত শত বছর ধরে পরাধীন ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ গঠন করে তাদের সেই পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছেন। এজন্য এই জাতি বঙ্গবন্ধু ও দেশের সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনো ভুলতে পারে না। ২০০১ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় দেশের গৌরমময় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্মরণ-সংরক্ষণ এবং মহান মুক্তিযোদ্ধাদের বহুবিধ কল্যাণে ইতিমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ ও জেলা-উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, বধ্যভূমিসমূহের সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ও ভাতা প্রদান এবং ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণসহ নানা মহতি উদ্যোগের মাধ্যমে অবদান রেখে চলেছে। এসব উদ্যোগের জন্য এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আরেকটি অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের জয়গানে তারা দেশবাসীর মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করেছে। তাদের মুখরিত ও আন্দোলিত করে তুলেছে। নবপ্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উল্লাসে মাতিয়ে তুলেছে। রণাঙ্গনের মহান বীরদের যুদ্ধের ছবি ব্যানার ও পোস্টার আকারে দেশবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের অমর বাণী ও আলোকরশ্মিতে দেশবাসী একাত্তরের স্মৃতিময় দিনগুলোতে ফিরে যাচ্ছে এবং সেই গৌরব মহিমায় তারা ঝলমলিয়ে উঠছে। মুক্তিযুদ্ধের শত সহস্র ছবি সংবলিত বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার ঢাকার সচিবালয়সহ সব মন্ত্রণালয়ের প্রবেশদ্বারে শোভা পাচ্ছে। যেসব বীর আজও বেঁচে আছেন, সারা দেশ থেকে খুঁজে এনে তাদের ছবির সামনে দাঁড় করিয়ে সগৌরবে দেখানো হচ্ছে এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হচ্ছে। অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে রণাঙ্গনে থ্রি নট থ্রি কাঁধে কমান্ডো যোদ্ধা সাবেক সচিব মোহাম্মদ মুসার অনুরূপ একটি ছবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রবেশদ্বারের বিল বোর্ডে শোভা পাচ্ছে।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মে মাসে ৯ নম্বর সেক্টরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দুটি লঞ্চে আক্রমণের আগমুহূর্তে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রস্ত্ততিলগ্নে ব্রিফিংকালে ছবির মাঝখানে থ্রি নট থ্রি কাঁধে কমান্ডো যোদ্ধা মোহাম্মদ মুসাকে উক্ত ছবিতে দেখা যাচ্ছে। উক্ত ছবির বিলবোর্ডের বাম পাশে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক, ’৭১-এর কমান্ডো যোদ্ধা মোহাম্মদ মুসা এবং ডান পাশে নবপ্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সভাপতি হাবিব-ই-আকবর মেহমুদকে দণ্ডায়মান অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় যেসব জীবিত মুক্তিযোদ্ধাকে এনে এভাবে সম্মাননা দিচ্ছে, আমি তাদের সবাইকে চিনি না। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুসা সম্পর্কে সম্যক অবগত। এ প্রসঙ্গে তার সম্পর্কে দুই-এক কথা না লিখে পারছি না।

১৯৭১-এর মে মাস পর্যন্ত কমান্ডো যোদ্ধা হিসেবে রণাঙ্গনের ৯ নম্বর সেক্টরে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে বীর বিক্রমে সম্মুখ সমরে লিপ্ত হন। তিনি দুঃসাহসিক ও দুর্ধর্ষ যোদ্ধা হিসেবে খ্যাত হন। মে মাসের শেষ সপ্তাহে রণাঙ্গনে পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে সম্মুখ সমরে তিনি আহত হলে পাকিস্তান আমলে দৈনিক ইত্তেফাকে তার সাংবাদিকতার পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে তাকে স্বাধীন বাংলা বেতারের ওয়ার করেসপনডেন্ট পদে নিয়োগ করা হয়। তার মামা রুহুল কুদ্দুস ছিলেন মুজিবনগর সরকারের চিফ সেক্রেটারি। তিনি মিত্রবাহিনী ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল অরোরাকে বলে দেওয়ায় তার এডিসি ক্যাপ্টেন সুদের (পরে মেজর জেনারেল) সহযোগিতায় ফোর্ট উইলিয়াম থেকে মিত্রবাহিনীর সামরিক হেলিকপ্টারে মিত্রবাহিনীর সঙ্গে প্রায় প্রতিদিন তিনি বিভিন্ন রণাঙ্গন ঘুরে সন্ধ্যায় ফিরে এসে স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে ‘রণাঙ্গনে ঘুরে এলাম-মুসা সাদিক’ ও ‘মুক্তাঞ্চল ঘুরে এলাম-মুসা সাদিক’ শিরোনামে দুটি কথিকা স্বকণ্ঠে প্রতিদিন প্রচার করতেন। তার বাবা ও মা অবরুদ্ধ বাংলাদেশে ছিলেন বলে তিনি স্বাধীন বাংলা বেতারে উক্ত ছদ্মনামে এসব কথিকা প্রচার করতেন। সেই থেকে তার লেখক নাম হয়ে যায় মুসা সাদিক। ’৭১-এ অবরুদ্ধ দেশবাসীর মনোবল চাঙ্গা রাখতে তার প্রচারিত কথিকা দুটি জাদুমন্ত্রের ন্যায় কাজ করত।

মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসব্যাপী প্রতিদিন জীবন-মৃত্যু পণ করে স্বাধীন বাংলা বেতারের ওয়ার করেসপনডেন্ট হিসেবে বিভিন্ন রণাঙ্গনে মোহাম্মদ মুসা যে দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন করেছেন এবং নির্ভীক চিত্তে তার কর্তব্য পালন করেছেন, সেজন্য তার সর্বোচ্চ প্রশংসা করেন খোদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর নিজে লিখেছেন: ‘প্রিয় জনাব মোহাম্মদ মুসা, বিগত স্বাধীনতা সংগ্রামে তুমি যে ত্যাগ, তিতিক্ষা, সাহসিকতা ও নির্ভীকতা দেখিয়েছ, তা দুনিয়ার ইতিহাসে দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাই দেশ আজ তোমাদের জন্য গর্বিত। দেশকে স্বাধীন করার যে মহান দায়িত্ব তোমরা পালন করেছ, সেজন্য বাঙালি তোমাদের কাছে চিরঋণী। তাই বাংলাদেশ সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আমি তোমাদের জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।’

অনুরূপভাবে, ১৯৭২ সালের ২১ মার্চ তারিখে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিযুদ্ধের জন্য আত্মোত্সর্গকারী একজন বীর যোদ্ধা মোহাম্মদ মুসার ৯ মাসব্যাপী বিভিন্ন রণাঙ্গনে বীরত্বপূর্ণ অবদানের মূল্যায়ন করে লিখেছেন, ‘জনাব মোহাম্মদ মুসা প্রবাসী সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পূর্বে ৯ নম্বর সেক্টরের বিভিন্ন রণাঙ্গনে তিনি একজন দুর্ধর্ষ কমান্ড মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রতক্ষভাবে যুদ্ধে অংশ নেন এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ৯ নম্বর সেক্টরে কালিন্দি নদীতে কয়েকটি পাকিস্তানি হানাদার লঞ্চ দখলের যুদ্ধে মুসা অসীম সাহসিকতার নজির স্থাপন করেন। পরে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে তাকে স্বাধীন বাংলা বেতারের সমর সংবাদদাতা নিয়োগ করা হয়। সংবাদদাতার কাজের পাশাপাশি ফ্রন্টে পাকিস্তানি পজিশন ও ডিফেন্সের তথ্য সংগ্রহের সামরিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়। এই চ্যালেঞ্জিং কাজে যখন কাউকে পাওয়া যায়নি, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মুসা হাসিমুখে এ দায়িত্ব পালনের শপথ নেন। পাকিস্তানি হানাদারদের চোখ এড়িয়ে বহুবার জীবন-মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও তিনি এ কাজে শঙ্কিত বা ভীত হয়ে পড়েননি। হাজার হাজার যুবকের ন্যায় স্বাধীনতার জন্য উত্সর্গীকৃত এই নির্ভীক তরুণ মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৮ নম্বর সেক্টরে ভারতীয় সাংবাদিক জ্যোতি সিংসহ পাকিস্তনি সেনাদের হাতে ধরা পড়েন এবং পাকিস্তানি সেনারা তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানোর পর তিনি মারা গেছেন বলে যশোরের চাচড়া স্কুলের ঘরে ফেলে রেখে যায়। ৮ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বেঙ্গল রেজিমেন্টর ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদা তার ফোর্স নিয়ে মুসাকে অজ্ঞান ও মুমূষু‌র্ অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন এবং তিনি প্রাণে বেঁচে যান। জ্যোতি সিংয়ের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি...।’

মহান আল্লাহর অসীম কুদরতে ‘শহিদি দরজা’ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরে আসার পর থেকে তার রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তিনি ‘জীবন্ত শহিদ’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। স্বাধীন বাংলা বেতারে তার কথিকা দুটি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ দেশবাসীকে যে অপরিসীম মনোবল জুগিয়েছিল, সে ব্যাপারে প্রশংসা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামও। এছাড়া ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তানের সামরিক আদালতে বিচার প্রহসনের ওপর মোহাম্মদ মুসার লেখা একটি জনপ্রিয় কবিতার কথা প্রবাসী সরকারের তথ্য বিভাগের পরিচালক এম আর আর আখতার মুকুল উল্লেখ করেছেন তার এক লেখায়। এই কবিতা পরে রাশিয়ান, ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের চতুর্থ খণ্ডে স্বাধীন বাংলা বেতারের অন্যান্য প্রচার-প্রচারণা ও ডকুমেন্টের সঙ্গে উক্ত কবিতা ছাপা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জনাব মোহাম্মদ মুসা বঙ্গভবনে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির মহান বিজয়লাভের পর ২২ ডিসেম্বর প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার ঢাকায় প্রত্যাগমনের দিনেই তাকে বঙ্গভবনে তথ্য অফিসার পদে পদায়ন করা হয়। ১৫ আগস্ট রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলে রণাঙ্গন থেকে সদ্য উঠে আসা টগবগে বীর তরুণ মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মুজিবনগর জেলের সিনিয়র সেকশন অফিসার শ্রী রাখাল ভট্টাচার্যে্যর নেতৃত্বে খুনিদের রুখে দাঁড়ানোর জন্য পবিত্র কোরআন শরিফ ও গিতা ছুঁয়ে শপথ করেন। তারা হলেন তাজউদ্দীন স্যারের অফিসার আলী তারেক, সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্যারের অফিসার মোহাম্মদ মুসা, এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্যারের অফিসার শ্রী রবীন্দ্র নাথ ত্রিবেদী, খুনি মোশতাকের অফিসার শ্রীশ্রী কুমার শঙ্কর হাজরা (ঘৃণাভাবে সে খুনি মোশতাককে প্রত্যাখ্যান করে এই আত্মঘাতী মিশনে যোগ দেন), মনসুর আলী স্যারের অফিসার গাজী মনসুর এবং শেখ মণি ভাইয়ের বিশ্বস্ততম দুই অফিসার ফকির আব্দুর রাজ্জাক ও শফিকুল আজিজ মুকুল (বাংলার বাণীর সাংবাদিক)। ২৯ আগস্ট রাতে বঙ্গভবন, সচিবালয়, ক্যান্টনমেন্টসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রুখে দাঁড়াও’ শিরোনামের লিফলেট বিতরণে তারা সাহসিকতার পরিচয় দেন। এই লিফলেট বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিরুদ্ধে অগুনের ফুলকি ছড়িয়ে দেয় এবং সিজিএস জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বর সামরিক অভু্যত্থান ঘটে। যদিও দুর্ভাগ্যবশত পরে ৭ নভেম্বর কাউন্টার কু্য সংঘটিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বশ্রেষ্ঠ বীরেরা নিহত হন।

সেই ট্র্যাজেডির পরম্পরায় বঙ্গভবনের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুসা ও কুমার শঙ্কর হাজরাসহ একাত্তরের রণাঙ্গনের মৃত্যু ঞ্জয়ী ছয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ভারতে পালিয়ে বেঁচে যান। কিন্তু প্রজাতন্ত্রের দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য তারা রেখে যান বঙ্গবন্ধুর নিষ্ঠুর খুনি সীমারদের বিরুদ্ধে বীর বিক্রমে রুখে দাঁড়ানোর অদম্য সাহসিকতার অমরগাথা। মোহাম্মদ মুসা বা মুসা সাদিক বাংলাদেশ উইনস ফ্রিডমসহ কয়েকটি কালজয়ী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থের রচয়িতা। তিনি বর্তমানে বিসিএস মুক্তিযোদ্ধা ও মুজিবনগর অফিসার-কর্মচারী সমিতির সভাপতি। প্রজাতন্ত্রের নবপ্রজন্মের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তারা অফুরন্ত অনুপ্রেরণার উৎস। তাদের কর্ণকুহরে তারা দিয়ে যাচ্ছেন বীরদের বীরত্বের সেই পুন্যময় বাণী: ‘তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি। তোমার সেবার মহান দুঃখ সহিবারে দাও ভকতি।’

লেখক: সাবেক অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ইত্তেফাক/এসজেড

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন