কার্ডিফে আগেও সেঞ্চুরি করেছিলেন সাকিব। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সেই সেঞ্চুরিটি ছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ওই সেঞ্চুরির আনন্দই ছিল আলাদা। কারণ বাংলাদেশ ওই ম্যাচ জিতেছিল। দুই বছর পর ফের কার্ডিফে সেঞ্চুরি করেছেন সাকিব। তাও আবার বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি এবং ইংল্যান্ডের মতো টপ ফেবারিট দলের বিরুদ্ধে। কিন্তু এই সেঞ্চুরি তেমন একটা আনন্দ দেয়নি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। কারণ বাংলাদেশ এই ম্যাচ হেরে গেছে ১০৬ রানে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা সাকিব তার সেঞ্চুরির অনুভূতি বলতে গিয়ে জানালেন, ‘বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি। তাই ভালো লাগাই স্বাভাবিক। তবে দল জিতলে আরো ভালো লাগত। এই মাঠে দুইটা ম্যাচই খেললাম। মাঠ তেমন পরিচিত না। তবে আলহামদুলিল্লাহ, দুই ম্যাচেই ভালো একটা স্কোর ছিল আমার।’
চলতি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এ পর্যন্ত ব্যাটে, বলে বাংলাদেশের সেরা পারফরমার সাকিব। সাফল্যের রহস্য কি ব্যাটিং লাইন আপে পদোন্নতি, নাকি আর কিছু। ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় ধরে ব্যাট করেছেন ৫ নম্বরে। কিছুদিন ধরে তাকে ৩ নম্বরে খেলতে দেখা যাচ্ছে। এই পদোন্নতিটাই কি তাকে সফল হওয়ার শক্তি যোগাচ্ছে। সাকিব বলেন, ‘এটা অন্যরকম এক অনুভূতি (৩ নম্বরে ব্যাট করতে পারা)। কিছু অন্য ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে আমি উপভোগ করছি। আমাকে দলের জন্য ব্যাট ও বল হাতে অবদান রাখতে হবে যতখানি পারা যায়। ব্যাট হাতে রান পাওয়ার জন্য এটা আমার জন্য আরো ভালো একটা সুযোগ। আমি উপভোগ করছি। তবে মাত্র তিনটা ম্যাচ খেললাম। এই টুর্নামেন্টে আরো অনেক ম্যাচ আছে।’
তিন নম্বরে নামার সিদ্ধান্ত কি নিজেই নিয়েছেন নাকি কাউকে কনভিন্স করতে হয়েছে। উত্তরে সাকিব যা বললেন তাতে হলভর্তি সাংবাদিকরা হেসে দিলেন। তিনি বললেন, ‘সবাইকে কনভিন্স করতে হয়েছে। আমি যদি এক ম্যাচে রান করতে না পারি তাহলে সবাই আমাকে আবার ৫ নম্বরে ব্যাটিং করতে বলবে। প্রচুর লোকজনকে (তিন নম্বরে খেলার জন্য) কনভিন্স করতে হয়েছে।’
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাকিবের সেঞ্চুরিটি ছিল ৯৫ বলে। ৯ বাউন্ডারি ১ ছক্কায় শতরান সাজান তিনি। তবে সেঞ্চুরির পর তিনি মাঠে বেশি সময় থাকতে পারেননি। ১১৯ বলে ১২ বাউন্ডারি এক ছক্কায় ১২১ রানের পর স্টোকসের একটি বলে আউট হয়ে যান তিনি।
