কোরবানির পশুর যত্ন ও খাবারদাবার 

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২২, ১১:২৪

পবিত্র কোরবানি ঈদের বাকী আর আর মাত্র দুদিন। যারা কুরবানি দেন তারা সাধ্যের মধ্যে প্রতি বছর গরু, মহিষ ও ছাগল কিনে থাকেন। কোরবানির পশু আগেভাগে কেনা ভালো। পশুর যত্ন ও পরিচর্যা নেওয়া যায়। কোরবানির আগের দিনগুলোতে পশুটির যত্ন কীভাবে নেবেন, জেনে নিন। 

  • হাটগুলোতে ব্যবসায়ীরা পশুকে পর্যাপ্ত খাদ্য দেয় না। যার কারণে পশু এমনিতেই কিছুটা দুর্বল থাকে। আবার অনেক পশু হাঁটায় অভ্যস্ত থাকে না। এই অবস্থায় হাঁটিয়ে আনা হলে পশুর কষ্ট বেড়ে যায়। তাই পিকআপভ্যানে আনাই ভালো। এতে পশুর কষ্ট কম হয়। 
  • কোরবানির গরু, ছাগল কিংবা অন্য পশুকে পরিষ্কার স্থানে রাখতে হবে। স্যাঁতসেতে, অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা স্থানে না রাখা যাবে না। হাট থেকে গরু, মহিষ কিংবা ছাগল কিনে সম্ভব হলে দ্রুত গোসল করানো, বেশি করে পানি খাওয়াতে হবে। 
  • ভুষি, খৈল, গাছের পাতা, ঘাস ও খড় আগে থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রস্তুত রাখতে হবে। এই সময়ে পশু ক্ষুধার্ত থাকে। 

কোরবানি দিন ঈদের জামাতে যাবার আগে সকাল সকাল পশুকে গোসল করানো উচিত

  • প্রতিদিন পশুর মলমূত্র ও উচ্ছিষ্ট খাবার পরিষ্কারের ব্যবস্থা করত হবে। পরিবেশ যেন দূষিত না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। 
  • কোরবানি দিন ঈদের জামাতে যাবার আগে সকাল সকাল পশুকে গোসল করানো উচিত। যাতে গায়ে লেগে থাকা ময়লা-গোবর ইত্যাদি পরিষ্কার হয়ে যায়। 
  • জবাই করার জন্য পশু শোয়ানোর সময় খুব বেশি ধস্তাধস্তি করবনে না। কৌশলে যত্নের সঙ্গে শুইয়ে দেরি না করে দ্রুত জবাই করে ফেলবেন। এক পশুর সামনে অন্য পশুকে জবাই করবেন না। এতে জীবিত পশুর মধ্যে আতঙ্ক ও ভয় সৃষ্টি হতে পারে। পশু কষ্টও পেতে পারে। 





ইত্তেফাক/আরএম