ছুটি শেষ হলেও কাটেনি ঈদের আমেজ

আপডেট : ১০ জুন ২০১৯, ০০:২১

ঈদের ছুটি শেষ। অফিস শুরু হয়ে গেছে গতকাল রবিবার থেকে। তবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিসেই ছিল ঈদের আমেজ। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগির পর ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে রাস্তায় গাড়ির চাপ তুলনামূলক কম থাকায় এখনো অনেকটা স্বস্তিতেই ফিরছেন যাত্রীরা। আর রাজধানীতে এখনো বিরাজ করছে ঈদের আমেজ।

ঈদুল ফিতরের টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে খুলেছে ব্যাংক-বীমা, শেয়ারবাজারসহ ও অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে ব্যাংক পাড়ায় এখনো ছুটির আমেজ বিরাজ করছে। গতকাল ব্যাংক খুললেও প্রথম দিনে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল কম। রাজধানীর ব্যাংক পাড়া মতিঝিল, দিলকুশা ঘুরে দেখা গেছে চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য ও ব্যস্ততা এখনো অনুপস্থিত। ব্যস্ততা কম থাকায় গল্প গুজব আর কুশল বিনিময় করে সময় পার করেছেন তারা। বাংলাদেশ ব্যাংকেও ছিল একই চিত্র। তবে ব্যাংকের অন্য কার্যক্রমের মতো লেনদেন কম থাকলেও নগদ টাকা উত্তোলন ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তুলতে গ্রাহকের ভিড় দেখা গেছে। প্রশাসনের প্রাণ কেন্দ্র সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি কম। প্রথম কর্মদিবসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা সচিবালয়ে এসেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

এদিকে, রাজধানীর পথ-ঘাটে এখনো সুনসান নীরবতা। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেই জমে ওঠে রেস্টুরেন্টগুলো। ঈদের ছুটিতে যারা ঢাকায় রয়েছেন তাদের বিনোদনের প্রধানতম গন্তব্য রেস্টুরেন্টগুলো। খাবারের জন্য প্রসিদ্ধ রেস্টুরেন্টগুলোতে রীতিমতো লাইন দিয়ে ঢুকতে হয়েছে।

এদিকে, দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চল থেকে রাজধানীতে প্রবেশের মুখ গাবতলী কল্যাণপুর এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস থেকে নামা যাত্রী পরিবহনে সেখানে অপেক্ষায় রয়েছে অসংখ্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা। রয়েছে রাইড শেয়ারিং কোম্পানির গাড়িও। কিন্তু সেই তুলনায় যাত্রী উপস্থিতি কম। রাজশাহী থেকে ঢাকায় ফেরা সরকারি কর্মকর্তা আরেফিন আজাদ বললেন, আমি একাই ফিরেছি ঢাকায়। পরিবার এখনো বাড়িতেই। স্কুল-কলেজ খুলতে দেরি আছে। তাই পরে ফিরবে ছেলেমেয়েরা।