করোনার দুই বছর লোকসানের পর এবার কোরবানি ঈদে লাভের মুখ দেখেছেন সিরাজগঞ্জে গবাদি খামারি ও ব্যাপারীরা। রাজধানী থেকে এবার তারা হাসিমুখে নিজ নিজ ঘরে ফিরেছে। অনেকেই বলছেন, গত দুই বছরের লোকসান কিছুটা হলেও তুলতে পেরে তারা আনন্দিত।
জেলার এনায়েতপুর থানার ব্যাপারী শহিদুল ইসলাম জানান, এ বছর ১০টি ষাঁড় নিয়ে ঢাকা যান। বিক্রি শেষে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।
একই এলাকার সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি এবার ১০০টি ষাঁড় কিনে ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন। তবে স্হানীয় খামারি সূত্রে জানা যায়, এ বছর পশু বিক্রি করে তাদেরকে লোকসান গুনতে হয়েছে।
রামগাঁতী গ্রামের খামারি শহিদুল ইসলাম জানান, ছয়টি পশু বিক্রি করে লোকসান গুনতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান জানান, এ বছর যেসব পশু ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নেওয়া হয়েছিল প্রায় সবগুলোই বিক্রি হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, জেলায় প্রায় ৪ লাখ পশু কোরবানির জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ কোরবানি হয়েছে। বাকি পশুগুলো রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় খামারি ও ব্যাপারীরা নিয়ে বিক্রি করছেন।
