আষাঢ় মাসেও খরায় পুড়ছে খেতের ফসল। কৃষকের বাড়ির আঙিনার চাল কুমড়ো আর ঝিঙে মাচায় সতেজ ডোগায় হলুদ ফুলের পরিবর্তে রোদে ঝিমিয়ে পড়া গাছ চোখে পড়ছে। মরিচের ফুল ঝরে যাচ্ছে। ফলে উত্পাদন কমে গেছে। খালবিলে পানি নেই। মাটি ফেটে চৌচির। আমন ধানের বীজতলা শুকিয়ে গেছে। দিনের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে। এদিকে রোদে খেতের আখ ও পাট গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। ডোবানালায় পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছে পাট চাষিরা।
উপজেলার কালুপাড়া গ্রামের পাটচাষি তাহাজ উদ্দিন জানান, অনাবৃষ্টিতে পাটের দানা (পরিপক্বতা) হয়নি| তার পরেও খরার কারণে পাট কাটতে হচ্ছে। পাট জাগ দেওয়ার পানির অভাব। তাই প্রতি বিঘা জমির পাটের জন্য ১ হাজার টাকা চুক্তিতে পুকুর ভাড়া করেছেন তিনি।
দিয়াড়পাড়া গ্রামের পাটচাষি গোলাপ হোসেন বলেন, খরায় পাটগাছ মরে যাচ্ছে। পাট কেটে মাঠে ফেলে রাখা হয়েছে। মাঠের আশপাশের ডোবানালায় পানি নেই। তাই পাট জাগ দেওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন তারা।
লালপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ধানের বীজতলায় সম্পূরক সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
