কুমিল্লার তিতাসের নদীনালা, খালবিলে দেদারছে ব্যবহৃত হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়না জাল। আর এসব জাল দিয়ে মাছ ধরায় নিধন হচ্ছে ডিম দিতে আসা মা ও পোনা। এতে অদূর ভবিষ্যতে উপজেলায় দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্তি হয়ে পড়বে বলে অভিমত সচেতন মহলের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্ষার নতুন পানি আসায় এ সময়টা মিঠাপানির মাছের প্রজননকাল। কিন্তু নতুন পানিতে মা-মাছ ডিম ছাড়ার আগেই আটকা পড়ছে জালে। উপজেলার সর্বত্র এ জাল ব্যবহার করছেন অসাধু মৎস্য শিকারিরা। উপজেলার সাতানী, মজিদপুর, জগতপুর, বলরামপুর, কলাকান্দি, ভিটিকান্দি ইউনিয়নের এলাকা ঘুরে সারি সারি চায়না জাল দেখতে পাওয়া যায়। উপজেলা সদর কড়িকান্দি বাজারে প্রতিদিন ছোট পোনা মাছ বিক্রি করতে দেখা যায়। এসব মাছের অধিকাংশই ডিমওয়ালা।
বাজারের আগত একাধিক ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, আমরা অধিকাংশ গরিব মানুষ। সংসার চালানোর জন্য মাছ ধরি। ভালো-মন্দ বুঝি না।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পানি বাড়ার কারণে কিছু কিছু এলাকায় ম্যাজিক জাল ব্যবহার বেড়েছে। এখানে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময় চায়না, ম্যাজিক ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছি। আমরা এ অভিযান অব্যাহত রেখেছি।
