প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ১৮৬ পরিবার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২২, ১৮:০৭

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সরকারের ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের আওতায় জমিসহ সেমি-পাকাঘর পেলেন বোরহানউদ্দিনের ১৮৬ পরিবার।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাঁচটি আশ্রয়ন প্রকল্পে যুক্ত হয়ে এই ঘরগুলো হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রী মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ডিজিটাল উপস্থাপনা করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প-২’র প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান প্রমুখ। প্রকল্পএলাকাতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা।

সকালে ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল গৃহহীনদের ঘর হস্তান্তর করেন। ঘর পেয়ে আবেগ-আপ্লুত পড়েন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো।

উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ছাগলা মৌজার আশ্রয়ন প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে আশ্রয় পাওয়া তৃতীয় লিঙ্গের রুবি জানান, আমাদেরকে কেউ ঘর ভাড়া দিতে চায় না। সমাজের লোকজন আমাদের ভিন্ন চোখে দেখে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার মাথাগোজার ঠাই করে দিয়েছে। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। 

একই আশ্রয়নের নারায়ন চন্দ্র দে, সমিতা রানী দে, আলমগীর, হালিমা বেগম, কিরণ বালা, টবগীর দালালপুর আশ্রয়নের আনিসুর রহমান, সাথীজোন জানান, তারা কোন দিন ভাবেননি মাথা গোঁজার মতো নিজেদের একটি ঠিকানা হবে। আজ আমরা অসহায় পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে থাকি। আমাদের কোন কষ্ট নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জানান, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১ম ধাপে কুতুবাইউনিয়নের ছাগলা মৌজায় ১৪টি, কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসায় ১৪টি, ২য় পর্য়ায়ে ছাগলায় ১৬টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ৩য় ধাপের প্রথম পর্যায়ে পদ্মা মনসা গ্রামে ২১টি, ছাগলায় ৬টি ও সাচড়া ইউনিয়নের চরগাজীপুর মৌজায় ১৫টি ও ২য় ধাপে চরগাজীপুর ৬টি, টবগী ইউনিয়নের দালালপুর মৌজায় ৪০টি ও ছাগলায় ৫৪টি ঘর নির্মাণ করা হয়। যার মধ্যে বৃহস্পতিবার ১৮৬টি ঘর গৃহহীনদের হস্তান্তর করা হয়েছে।  

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিরতণ সভায় বক্তব্য রাখেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুর, উপজেলা  য়ারম্যান আবুল কালাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান, আওয়ামী লীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন হায়দার প্রমুখ। 

ইত্তেফাক/এআই